আকুল গাছের মতো বোবা পরিবার ছুঁয়ে থেকে হাতপাখা নেড়ে বলি, সুখটুকু খাও শেষপাতে। সামান্যই আয়োজন, লাজুক স্বভাব দূরে রেখে খাও বুড়োটির দেহ। ধীরে ধীরে খাও মাঝরাতে।
পা থেকেই শুরু করো। লোভনীয় ওগুলোই বেশি। ক্রমশ ওপরে যাবে। গলা খাবে তারিয়ে তারিয়ে। ঢিমে আঁচে ফুটে ফুটে নরম হয়েছে হাড়, পেশি; সবটুকু খেয়ে শেষে মাথা খেয়ো খোলাটি ছাড়িয়ে।”
এতদিন যা লিখেছি, সমস্ত ইঁদুর হয় রাতে। দাঁতগুলো বিরামচিহ্ন। পাতা কেটে ধীরে ধীরে উঠে আসে বুড়ো খাটিয়ায়। খাটিয়ায় আমার দেহ, পাশে বউ, মাঝখানে পুতুলটি জিয়ল। সারাদিন কাঁটার লোভে এত বেশি লেজ ঝাপটাই, রাতের সমস্ত লোম দেহ থেকে বেড়ালগন্ধ তোলে।
পেঁয়াজ আস্তে আস্তে ছাড়িয়ে ফেলছে রাঁধুনির খোসা। চোখের কুহক থেকে নেমে আসে
শ্লেষ্মার ঝাঁঝ
যীশু একটি মৃত কাঠ। আমরা ক্রুশের অভ্যুত্থান চেয়ে লুব্ধকের লেজে বেঁধেছি
মানতের ঢিল
অন্ধ
দু’খণ্ড কাঁচের ঠিক মধ্যিখানে শুয়ে ডুগডুগি বাজাচ্ছি যেন কত রং-বেরং শব্দ হয়ে যাবে দু’পুরুষ ফোয়ারা মাখছি ভরদুপুরে কুয়োতলায় বসে যেন মাথার মধ্যে ফড়ফড়িয়ে পায়রা উড়ে যায়… পায়রা ওড়ে, দু-তিনটে চিল, আকাশ যেন কী রং বলেছিলে? ওই বোঝো পদ্মবাচ্চা, ওই বোঝো শালুকবাচ্চা পুকুর মাইরি ঢিল পড়তেই গোল হয়ে তুমুল নেচে দিল
ইদানীং বাইরে যাই না, ইদানীং ঘরে যাই না ঘরে ও বাইরে কালীর চামড়া দেখি শুধু অনন্ত বাঁধাই করতে আঠা-কৌটো এত বেশি ফুরোল আর কোনো সংস্করণ বের করার সাহসই হল না