কুকুরটা পোয়াতি ছিল, পেটটা কেমন মোটা আর নাদুসনুদুস ছিল, জরায়ুর ভেতর লেপ্টে শুয়ে ছিল চার, ছয় কিংবা আটটা বাচ্চা।
গতকালও এমন নড়াচড়া করছিল ওরা পেটের ভেতর মাদি কুকুরটা অদ্ভুত এক প্রশান্তি নিয়ে অনুভূতিটুকু উপভোগ করছিল;
বাচ্চাগুলো পেছন পেছন তিড়িংতিড়িং লাফাবে এমন দৃশ্য স্বপ্নে দেখেছে অসংখ্য রাত। আর দু’এক সপ্তাহ মাত্র; আর ক’টা দিন পরই চোখ না ফোটা বাচ্চাগুলো অন্ধকারেই খুঁজে নিতো মাতৃস্তন; আহা! কি তৃপ্তি…
স্তন! ভয়েই শিহরে উঠে জ্ঞানহারা মৃতপ্রায় মাদি কুকুরটা! রক্তস্রোত এখনও সারা রাস্তায় … ওরা এত বীভৎস কেন? স্তন কিংবা শরীর এসবের বাইরের সে ছিল মা, যোনী কিংবা মাদি এর বাইরেও সে ছিল পোয়াতি। প্রতিটি আঘাতে শুধু সন্তান বা শরীরের মৃত্যু হয়নি হয়েছে মা শব্দটার মৃত্যু।
মা, পোয়াতি কিংবা জন্ম, কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়া এই শব্দগুলো আজ আর তেমন ভাবায় না; উত্তর-দক্ষিণ পূর্ব-পশ্চিমে স্তন-শরীর মানে মাংস; স্তন শরীর মানে উল্লাস, আর মাংস মানেই হায়েনার থাবা।