দুই
আশরীর হেমাঙ্গ বিশ্বাসের সুর
নিশিডাক, শ্যাওলার কালোসবুজ ত্বক
চিকচিকে, অক্ষরের ভূত নামে কাঠবিড়ালির পায়ে
দুই হাতে খাদ্য চেপে দুপুরের দানা কুড়োয়, খায়
হিমপল্লবের শিশিরে স্নান থামে শিমফুলের
রগড় দেখছে মৌটুসি, টুনি পাখি পেখম ছড়িয়ে সুর তোলে
ডালের পিদিম জ্বেলে জোনাকির ডানা ভেসে
কোন্ দূর হারিয়ে যায় থিরথির্ জলটম্বুর
মৌজঘরে আমরা দুই পাপ ঘাপটিয়ে আছি
ডাঁটো হবে যবনের ঘুম, স্বামীসুখ পরিবৃত হয়ে
এয়োতিরা পায়রার খোপে তার ব্যর্থতার ডিম থুয়ে
চেল্লাবে। জরায়ু মটকে পাবে মেয়েবেলার ছাই
দুন্দুভি বাজে না আর, রসকল্পবল্লীর জর্দাপান
বাসি নিখুঁতির মতো খটখটে, ঠোঁটের আখায় ঠোঁট
রয়ে রয়ে বাসনের মুড়ো ধরে দাঁত মাজি, শালি!
কাসুন্দি বয়াম সাজে দিদিমার হাতে, শাড়ির পাড় সমেত
বীর্যের মুখে ঠেসে দিই, ইষ্টনাম নিতে নিতে বছর পেরোই
বুঝি, জোয়ানবেলার রোগ— কিছুতে টস্কাবে না