থেমে থাকা মানে চলা রথ থেকে রথতলা চুরি করে আমসত্ত্ব খেতাম তোমাকে হয়নি বলা…
সে তোমারই ডানা
ভিখিরি গেয়েই যাক, দেবে তো চার আনা কিন্তু ভিখিরিকে তুমি দেখিয়েছ ডানা
বেলা-অবেলায় তাই সেও উড়তে পারে সন্ধ্যাকাশ যে সময় ছাদের কিনারে ঝুঁকে আসে আর মেঘ ছোঁয় তোমাকেই দেশ যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়ে গেলে পরও এক আলো ফুটে ওঠে পথচারীদের ঠোঁট পরিদের ঠোঁটে অতর্কিতে নেমে আসে একবারই, ব্যস গল্পের ভিতর থেকে তবু উপন্যাস পত্রিকার পাতা হয়ে যায় ছাপাখানা
সে আমার বই নয়, সে তোমারই ডানা
ধাতুও যদি সোনা
প্রার্থনা তো ভিতর থেকে শোনা শাড়ির গায়ে রাধাকৃষ্ণ বোনা সমুদ্দুরে মিশে গেলে পরে নদীর পানি যেভাবে হয় নোনা…
হাত লেগেছে, তিন ছক্কা পুটে জিভ লেগেছে ময়দার বিস্কুটে ইচ্ছে করে আবারও যাই ছুটে করলে তুমি, এমন জাদুটোনা
বইছে শ্মশান নদীর আশেপাশে জলের মতো ছাই মিশেছে ঘাসে মৃত লোকের জীবন্ত নিশ্বাসে ফুরিয়ে যাওয়া মুহূর্তকে গোনা
সোনার জলে ধাতুও যদি সোনা তোমার আমার একই তো প্রার্থনা…
অন্ধকারের স্বাদ
মনের কথা মনের ভিতর রেখে দেওয়াই ভালো সোঁদরবনের ভিতরে বাঘ যখনই হড়কালো সেকেন্ডেরও ভগ্নাংশে ঘিরে ফেলল কাদা অন্য কোথাও কীভাবে যাই, হয়নি বাঁধাছাঁদা
যা হয়েছে হবার কথা ছিল না তা জানি আমার জলে, কীসের ছলে জাগল কালাপানি জানতেও পারিনি পাঠক, না জানবার পাপে পেঙ্গুইনকে ঘুম পাড়ালাম কম্বলের উত্তাপে
ফল যা হল, রায় বেরল, কম্বলটাই দোষী মা দুর্গাকে আনতে গিয়ে আনছে শরৎশশী পূর্ণিমা তার পূর্ণিমা নয়, আলোয় পাতা ফাঁদ বাঘকে দিত মাংস, আমায় অন্ধকারের স্বাদ
উপন্যাসের শেষে
মাছি পড়ল ভাতে কোদাল দিলাম তাতে হাজার চুমু খেয়েছিলাম হয়তো বা সাক্ষাতে
হাজার একের আগে বলতে খারাপ লাগে আরব্য রজনীর ভিতর একটা সূর্য জাগে
চেনো তুমি তাকে, ঘুরেছ সাতপাকে? স্বর্গদ্বারে জল না আগুন কোনটা বেশি থাকে?
পোড়ায় যদি এসে ফেলব ভালবেসে তুমিও কি কবিতা চাও উপন্যাসের শেষে?