যারা কাঁদে, খুব বিড়ি খায়, আর বাজি হেরে ফিরে যায় খালি ঘেমো ঘরে — হিংসা হয়। ওদের কাঁচাপাকা চুল দেখলে নাভি অবধি জ্বলে ওঠে। মনে হয় — দারুণ কিছু বমি করি। ভাসিয়ে দিই রাতের থালা; সান্দ্র আবর্তে কিছু সস্তা চটি জেগে উঠুক। মাঝরাতে কেঁপে উঠলে, সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কোনো ওড়না থাকবে না — এই সহজ সত্য স্বীকার করে
আমি ডাকবাক্স খুলে ফেলি
আয়না দেখেননি এখনও?
তবুও ওই ঠোঁট চেটে শুয়ে পড়া লোকগুলোকে ঘেন্না করি। ঘুমের মধ্যেই ওরা নাভি চুলকোয়। আলো ঘেঁটে যায় স্বপ্ন ঘেঁটে যায়। মাঝেমধ্যে মাথার ওপর উঠে বসে অবসন্ন মথ — এদিকে ডাকবাক্স ভেঙে আছে বিছানায়। পরের দিন, পেচ্ছাপের রঙ হলুদ — খদ্দেরের থুতু লেগে থাকে পান মশলার প্যাকেটে — বাসি চাট আর নোনা বিড়ির গন্ধে — মহামারী বলাৎকার। কাঁচাপাকা মুখ ঘষে দশ টাকা বাজি, অতঃপর
দেশ হেরে যায়
দশ হেরে যায়
সানশেডে গুঁজে থাকে আপদের চিঠি, পোড়া ছবি, জাহান্নাম…