দু টি ক বি তা
অ র্পি তা  স র কা র
ফলন
সোমবতী অমাবস্যার রাতে দরজা খুলে রাখি
আঁধার ভেজা আলো গোপন নারীর মতো বুকে উঠে আসে।
কেমন ঝিম ধরে চোখে
উন্মুখ পদ্মের পাপড়ি খুলে রাখি কোমল বরাঙ্গে;
এইখানে ভোমরা-ভোমরী আয়ুদিন দিয়ে বানিয়েছে ধূলাঘর
এসো আসন সাজাই,
তমালপাতে লিখি প্রিয়নাম
আগুনের মতো ছোঁয়াচে এ ক্ষণ
হৃদয়ে কান পাতো,
শোনো, আগন্তুক নিশি হেঁটে চলে যায়
চিত্রাণী মেয়ে, তুমি চন্দ্রভাগা নদী
মণিবন্ধে মাছের সংসার
তলিয়ে যেতে যেতে
ছুঁয়ে থাকি নতুন পলির বাস
অপত্যের সাধ পদ্মমধুর মতো স্বপ্নে লেগে রয়
আর কিছু নয়
উত্তরসূরীর নামে ডোল ভরা কনকচূড় ধান
আগলে রেখেছি নিমবৃক্ষের ছায়া…
আসন্ন ফল
তোমার চোখের দিকে তাকালে আমার ভীষণ শীত করে
দিন দিন ঝরাপাতা রঙ আরও গাঢ় হচ্ছে,
তুমি টের পাও?
দু ‘ চোখের পাতায় পর্ণমোচী বন সাজিয়ে কীভাবে তাকিয়ে থাকো সবুজের দিকে!
ভয় করে।
বড় বেশি খাঁ খাঁ করে পরাণকিণার,
আমাদের মাঝখানে তিন আধ জমি।
কুদৃষ্টি
কুদৃষ্টি
ফুল ফোটে, বলো!
কত যুগ ধরে চিৎ হয়ে আছি,
তোমাদের দেহে যদি বসন্ত আসে
এই মৃত ঠোঁটে
ঢেলে দিও
গন্ডূষ জল