সবাই চলে যাচ্ছে আমায় ছেড়ে। একটি একটু করে সরে সরে যাচ্ছে সকলে — চশমাটা সরে যাচ্ছে পাহাড়ের দিকে গাছের সাথে গাছের তফাত মাপবে বলে; পরিধান সব নেমে যাচ্ছে জলের নীচে অতলের তলে যদি পায় সমাধির শান্তি; কলমটাও চলে যায় গুটিগুটি পেরিয়ে সন্ধ্যামণির ঝোপ এড়িয়ে যেদিক গেলে পৌঁছে যাওয়া যায় তোমার বাড়ি…
ছেড়ে চলে যাচ্ছে সময়— একটা শ্রাবণ মাস থেকে আর একটা শ্রাবণের দিকে… মহাকাশ হাঁ-করে আছে, আয় বৃষ্টি ঝেঁপে, আয়
উৎকৃষ্ট আবর্জনা ফের
প্রবল দুঃখে সিক্ত বিছানার চাদর, বালিশ ও তোষকে লেপটে থাকে বহু পুরনো সব স্মৃতি দাগ—ঘরময় এলোমেলো উড়ছে ঝরা পাতার মর্মর, পাতার হলদে হয়ে যাওয়া টুকরো আর পাতার শুকনো হয়ে যাওয়া শিরা -উপশিরা…
প্রচন্ড এই যে দুঃখ তা জন্ম দিক অসম্ভব রাগ সাংঘাতিক ক্ষোভ আর বাঁচার দুর্দান্ত আকাঙ্ক্ষা, লিখে রাখুক খটখটে ডালপালা চেপে ধরে বসে থাকা স্মরণ আগলে বিষণ্ণতা!
তোমার মতোই সকলে জেনে গেছে, এই একখানা ভর্তি হিজিবিজিও ভালো কিছু লেখার মৌতাতে শুধুই উৎকৃষ্ট আবর্জনা ফের…