Skip to main content

Hello Testing

দু টি  ক বি তা

ল ক্ষ্মী কা ন্ত &nbspম ণ্ড ল

laxmi

বোধ পোড়া কাঠ নিভে গেলে

এই যাবতীয় ছলনার উপর অগণিত ধর্ষণের কথা চাপা পড়ে যায়– এর নাম অবচেতন আনন্দ হতে পারে না, অথচ ঘুম অনুভব করছে ধর্মপোতা ছুঁয়ে যাওয়া নদীবাঁধটি, এই অমোঘ পথের একটাই শরীর এবং তাতে পোকায় কুরে খাওয়া বটঝুরি, জল স্রোতে ক্ষয়ে যাওয়া ছাড়া কোনো বিভ্রান্তি নেই, সে পথ ক্রমশ আমদানিকৃত– সে পথ ক্রমশ আবর্জনা এবং মোরাম– দিনান্তের মুখ থেকে সিন্থেটিক ব্যানারে সাদা বক মরতে থাকে; হাঁটতে হাঁটতে সুমিতারা ত্বকের ভাঁজের দিকে এগিয়ে যায়, তারপর শরীরের সাথে যোগাযোগ নেই দামনের

ছায়াতেই আলো ভাগ করার মতো এ অধীর পথপ্রবাহ– ফোটাতে চায় হলুদ ফুল, সারারাত জেগে জেগে অবনত চাঁদোয়ায় সারা পৃথিবী ঘুরে গেল কতবার, ধুলো মাখতে মাখতে বোধ পোড়া কাঠ নিভে গেলে আমি কেউ পাখি না ; ভোরের সম্মতি নিয়ে বুদবুদ কোলাজ

দিতিও সঠিক কারো প্রেমিকা নয়– দূরের বাঁশি দূরেই সরে যায়

 

এই চরের শব্দে অপেক্ষারা

উত্তাপের ভিতরেই ধরণীধরের ঘর, উঠোনের নীল তুলসির উপাঙ্গ নিয়ে প্রতিটি সকালের টিউকলে জল পড়ে, আয়রণ আর অস্তিত্বের জোটবন্ধনে বাঁশঝাড়ের গলি আর প্যাচপেচে পথের জরা– কোনো রহস্য নেই এবং এসব দৃশ্য জলরঙেরও নয়, বরং ঘাম রসের ভিতর দিয়ে মন্তব্য ছাড়াই উপসংহারে পৌঁছে যেতে চায় লাঙ্গলকাটার রাস্তা, দরদীয়ার মতো উথলে উঠা বাতাসকে সাইকো বলতেই পারো – বলতেই পারো একটু পরেই আছে স্রোত – সেখানে জলকল্লোল নামিয়ে রাখে জাহ্নবী

তাঁকে চেনো তো দিতি, তিনি অপূর্ব মুখ ভঙ্গিতে পাপ ধুতে চান নিজের বধিরতা দিয়ে, এই কীট এই চরের শব্দে অপেক্ষারা বিন্দু বিন্দু বৃষ্টি চায়, ভিজবে সাঁকো আর আর ভুলে যাওয়া সমস্ত তাপমান চোখ, শোক কেড়ে নিয়ে যায় নোনা বাতাস

বহুদূর একা কয়েকটা ঢেউ আরও বেশি কপালের চুল উড়ে তোমার, ভিজতে থাকে জলে– নদীর গর্ভে বাড়ে সরীসৃপ