Hello Testing

ক বি তা

তিস্তা

tista

ধ্রুবতারা

 

এক

 

আমরা যারা লালার মতো 

ছিটকে পড়ি ইতিহাসের পাতায়,

যাদের কোনো ভাষা নেই,

তাদেরও একেকটা ধ্রুব থাকে—

যা ভেঙে পড়ে নিজেরই ছায়ার ভিতর প্রতিদিন।

 

জীবাশ্মরা জানে,

চিহ্ন মানে কেবল প্রমাণ নয়—

অযাচিত সৌন্দর্য, যা নিজের মধ্যেই 

এক মহাজাগতিক পুনরাবৃত্তি।

 

দুই

 

কয়েকটি বিভ্রান্ত রেডিও তরঙ্গ,

বিস্মৃত লালারস আর ভ্রূণসম প্রত্যাশা নিয়ে

যুগের পর যুগ নিজেকে স্থির রেখে দেয়

পাললিক শিলা।

 

একদিন মহাকর্ষে—

তারই উপরে জন্ম নেয় যে মুখ,

তার পলাতক ভাষা দিয়ে লেখা হয়

সমস্ত নক্ষত্রের ম্যানিফেস্টো।

 

আত্মঘাতী ঘূর্ণিপাকে

         নিজেরই জন্ম-স্মৃতি

                  ভুলে যেতে যেতে একদিন

এক্কেবারে নেই হয়ে যায় প্লুটো

 

তিন

 

বিপরীতমুখী চৌম্বকতার চুম্বন থেকে

উদ্ভব যে আলো—

সে কোনো ধর্ম মানে না।

কাঁটাতার মানে না।

 

প্রতিসরণের পাশে রাখা কম্পাসের দাগে দেখি—

ধ্রুব দিক বদলাচ্ছে প্রতিটি স্পর্শে!

 

আমরা তাকেই ‘ভালোবাসা’ নামে ডাকি

 

চার

 

নিজেকে মুছে ফেলার মতো স্থিরতা

কেবল শূন্য জানে।

একটি আলোককণাও জানে না

সে কতটা আলো বহন করে।

 

আত্মার নিচে যে তাপ জমে ওঠে,

তার উষ্ণতা কেউ মাপে না।

 

তবু সমস্ত কিছুর কেন্দ্রস্থলে

একটি নির্লিপ্ততা—

অক্ষরহীন, অস্ফুট, অপরাজেয়…

                                   ফুটে ওঠে!

One Response

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *