ক বি তা
দেবারতি রায়
শেষ থেকে যার শুরু
অন্ধকারের নিজস্ব একটা নাম আছে
যেখানে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের
তেমন কোনো বড়াই নেই—
অব্যয়ের পরতে পরতে ধার করা মোহময়ী স্মৃতিও
সেখানে পরাভূত!
অন্ধকারের নিজস্ব একটা নাম আছে
আর সেই নামের পরিচায়ক— শুধুই এক ক্রিয়া!
সূর্যাস্তের পর যে ক্রিয়া
নাভির নীচে এঁকে দিয়ে যায় বুনো ফুলের বৃন্ত,
যে ক্রিয়া শুকনো নদীচরে আগলে রাখতে চায়
এক ফোঁটা শিশির স্পর্শ!
তারই সঙ্গে তো মিশে থাকে
অন্ধকারের গন্ধ!
নিষ্কলঙ্ক অতীত সৃজন; ভবিষ্যতের বাতি
অন্ধকারেই অঙ্কুরোদগম—
কৃত্তিকা হোক বা স্বাতী।
সাপ্তাহিকী
দিন শেষে বাড়ি ফেরে দুই পাখি
প্রতিবিম্বে খুঁজে চলে সাপ্তাহিক সুখ,
আফটার শেভ, ময়াশ্চারাইজার—
নিদেনপক্ষে সকালে ফেলে যাওয়া ক্লাচার,
ঘামে ভেজা বারমুডা কিংবা হ্যান্ড স্যানিটাইজার;
প্রেসার কুকারের তীক্ষ্ণ আওয়াজ
মনে করালো, রাত্রি এখন নটা
সিটি পড়ল বোধ হয়,
ওভেনে চাপানো প্রেসার কুকার।
কিছুক্ষণ পরেই হয়ত বা শুরু হবে রক্তক্ষরণ
রতিক্রিয়া বলতে সুখ, ওই মিনিট বারোর—
বাকিটা সময় শুধুই পুতুলখেলার, দোসর হাঁড়ি-কুঁড়ি,
বাথটবে গা ভাসানো—
যদি তাতে ভেসে আসে কিছু গোলাপ কুঁড়ি!
মাঝে মধ্যে শুধু উঁকি দিয়ে দেখা
লিভিং রুমের ফিস-বোলে,
গোল্ডফিশেরা ঠিকমত দিচ্ছে তো
হামাগুড়ি?