মুখে কী নিষ্পাপ হাসি রণদাদার । দিনরাত দুহাত দিয়ে নিজের পুরুষাঙ্গ চেপে ধরে থাকত। লজ্জায় কেউ তার চোখের দিকে তাকাত না। অথচ আমি দেখতাম সেই নিঃশেষ আঁধারেও প্রথম আলোর মতো জ্বলজ্বল করত রণদাদার চোখ।
সেদিন তামাটে রঙের জ্যোৎস্নার গা চুঁইয়ে পোড়া মাংসের গন্ধ ছড়িয়ে যাচ্ছিল বড়োবাড়ির খিড়কি পুকুরের আনাচে কানাচে । আমি জ্বরের ঘোরে স্পষ্ট দেখলাম রণদাদার ঘর থেকে একটা কমলা প্রজাপতি উড়ে এসে আমার পুবের জানলায় বসল।
রণদাদার রানী বিড়ালটা মিউ মিউ করে শূন্য ঘরটার পাশ দিয়ে শুধু ঘোরে। দরজা খোলে না।
আমি আর সেদিকে চেয়ে দেখি না।
এখন রোজ ঘুমন্ত দুপুরগুলোতে এক অদ্ভুত জ্বর আসে শরীরে। বিস্বাদ জিভে লেগে থাকে পাকা মরিচের স্বপ্নগুড়ো। রণদাদাদের ঝিয়ের মেয়ে পরি, আঁচলে বেঁধে চুপিচুপি নিয়ে আসে লাল করমচা।