Hello Testing

ফ্যা শ ন

অনুক্তা ঘোষাল

anukta

ঐতিহ্যের জামদানি

নকশা ও বুননপদ্ধতির বিশেষত্বের কারণে জামদানি শাড়ি অন্য সব ধরনের শাড়ির চাইতে আলাদা। শাড়িপ্রেমীদের কাছে জামদানির কদর খুব বেশি। তবে এই শিল্পের বিকাশ বা ব্যাপ্তি তত বেশি নয়। বর্তমানে দেশের বাজারে জামদানির চাহিদা ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাশাপাশি বিশ্ববাজারেও এর প্রসার ঘটছে।জামদানি আমাদের বস্ত্রশিল্পের ঐতিহ্য।

ডিজাইনের জন্যই কিন্তু তা আভিজাত্য এবং রুচিশীলতার পরিচয় বহন করে। আমাদের পছন্দের তালিকায় একেবারে উপরের দিকে থাকে জামদানি। তবে জামদানিকে শুধুমাত্র শাড়ি বললে ভুল হবে। কারণ জামদানি হল একরকম শিল্প, যা একটিমাত্র দেশের ভৌগলির পরিবেশেই তৈরি হয়। তাঁতিরা তাঁদের সুনিপুণ দক্ষতায় এই শাড়ি বোনেন।

জামদানি শাড়িতে জলপাড়, জবাফুল, করোলা, তেরছা, দুবলা, বলিহার, পান্না হাজার, পানসী, বটপাতা, কটিহার ইত্যাদি। যে জামদানিতে ছোট ফুল বা লতাপাতার ডিজাইন তেরছা ভাবে থাকে তাকে তেরছা জামদানি বলা হয়। ছোট ছোট ফুল, লতাপাতার বুটি এগুলি যদি শাড়ির জমিনে জাবের মত থাকে তাহলে তাকে বলে জালার নকশা।পলাশির যুদ্ধের পর থেকেই মসলিনশিল্পের অবনতি ঘটতে থাকে। তবে মসলিন বিলুপ্তির প্রধান কারণ ইউরোপের শিল্পবিপ্লব ও আধুনিক যন্ত্রপাতির আবিষ্কার। কারখানায় উৎপাদিত সস্তা দামের কাপড়ের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরেই মসলিন হারিয়ে যায়। তবে জামদানির জৌলুস ও খ্যাতি আজও আছে। জামদানির বুননশিল্প ২০১৩ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর ইউনেস্কোর ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউমিনিটি’ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

পোশাক – নয়নিকা দাঁ ( সুবেশা বুটিকের কর্ণধার)
গহনা‌ – গার্গী ঘোষ ( অঙ্গশোভার কর্ণধার)
মেক ওভার – করবী রায়
ছবি – সুপ্রিয় দাস
রিটাচ – খুশি দাস
মডেল – অনুক্তা ঘোষাল

[TheChamp-FB-Comments style="background-color:#fff;"]