Hello Testing

দু টি ক বি তা

গো পা ল &nbspচ ক্র ব র্তী

আমার শহর

তার ছেঁড়া। শহর আর ঠিকঠাক বাজে না।

গীতবিতান দিয়ে বলি, ‘বাজো’

তাকে দিলাম ঘাতক ভায়োলিনখানা,

খান খান ভৈরবী, কিছু মাতাল পুরবী।

 

এক ফুঁসে ওঠা দুপুরে পাখির হলুদসংবাদ দিয়ে বললাম, ‘বাজো’

দেখি পশ্চিমশার্সিমুখে তার আপ্লুত লোলুপ দৃশ্য

ভাসিয়ে দিচ্ছে একে একে সব আকণ্ঠ নীরবতার বুদ্বুদ।

 

শেষমেশ তারে দিলাম শেষ অবশেষ কৃপাণ—

হকারের আকণ্ঠ আতপ্ত চিৎকার, ভিখারির গহন অনুরণন,

তারে দিলাম ইনক্লাব, দিয়ে বললাম, হে গুমখুন বিস্মৃত ঝরনা

তুমি কি আবারও কোনো রাগিনীপলাশে ভাসাতে পারো না নিদ্রাতুর ইলাবর্ত?

 

তবুও তো শহর অযুত শীতের মৌনতা মেখে সঙ্গম কবলিত

সা-রে-গা-মা হীন, বোবা

নীরব গৃহকোণে শ্রেনীসংগ্রাম সাধে!

 

না-লেখা

সংস্করণ পেরিয়ে মনে পড়ে সেই হাত এখনও জাগেনি

যার কোষে কোষে শুদ্র ও সমুদ্রের মায়া আর

পাঁজরের কলমে লিখে দিতে জানে কীর্তিনাশা শেষ মানুষটিরও ইশতেহার।

 

আমার হাত নেই। আমার শরীর জুড়ে অজস্র চোখ…

একটি অনাহারের গলির বাঁকে চোখ বিক্রি করি আমি রোজ।

 

সংস্করণ পেরোলে, বহু মুদ্রণ পেরোলে মনে পড়ে একটি কবিতা

আড়াল-আবডাল শানিয়ে আঘাত করে আমার আকণ্ঠ বর্ণমালার শরীরে,

ভেঙে দেয় যাবতীয় প্যাটার্ন।

 

আরও পড়ুন...