তিতাস নদীকূলে আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম দেখি, সেই নদীর জলে ভেসে যাচ্ছে অসংখ্য ভাবনারা আমার নরম গলার গান সুদূরকে কাছে নিয়ে আসে যেখানে সবার শরীর নদীর জল স্পর্শ করে। নদীর জলে রোদ্দুরের লুকোচুরি খেলা, কৌতুক-হাস্য ভাঙে বিশেষ তরঙ্গ, যা অতুলনীয়। হঠাৎ দমকা বাতাস আমাকে জানিয়ে যায় এসে, আমি এক নিস্তব্ধ নদী কিনারে বসে মনে পড়ে গেল এ খেলা ক্ষনিকের। অথচ এই স্বপ্ন হতে তো পারত সত্যি। অস্থায়ী স্বপ্নের মধ্যেও আমরা ভোর দেখি, দেখতেই থাকি আর নদীকে বলি আমি ঘুমিয়ে পড়লে আমাকে আর জাগিও না ভোর দেখতে। ভোর হওয়া কাকে বলে আমরা সত্যিই কি বুঝি?
তমসা
অশ্রুনদীর উপত্যকায় সকাল হয় নিত্য চোখের জলের চা-তে চিনির অনুপস্থিতি বোঝায় তোমার মধ্যে এক পৃথিবী বিষন্নতা, নিস্তব্ধতা। যে বিষন্নতা একনিমেষে ব্ল্যাককফির উড়ন্ত চুমুকে বুকে জমা সর্দিকে কমিয়ে দেয়, উপত্যকার পৃষ্ঠা ওড়ে সোমবার থেকে মঙ্গলবারে। তোমার চোখ আমাকে জানায় আমার গভীরের গোপন দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা। সকালবেলায় ঘুম ভাঙলেও তুমি আমার চোখে এখন আর আসো না। ঘুমভাঙ্গা চেতনা বর্তমান সমুদ্র তরঙ্গের বহুদূরে নিজেকে মনে হয় অন্ধ জিরাফ।