দু টি ক বি তা
শু ভ   আ ঢ্য
কাজুবন
আর কই
লেখা নিজের, বাড়ছে বিভক্তি কাজুবনে
যেন বিরহের তলায় চাপা পড়া ছায়া খানিক
দুলে দুলে ওঠে কেঁপে ওঠে পেয়ালা-পিরিচ
তাও শূন্য কোথা আর্যভট্ট, কোথা বা ঠোঁট
তিল কোথা, তিলেক ক্ষণ আলো মেখে বসা বিরহ
এখুনি কালো হল, ভালো নামে তা’কে ডেকে দেখি
শহর আমার ভালা না, সেথায় লেখা জানলার বাহিরে
অজস্র বিজ্ঞাপন আর ফোন চার্জহীন, অর্বিটের
বাইরে ইলেকট্রন প্রোটন জরুরি স্বভাবত
প্রোটিনও আয়রন, অ্যাসিডও শরীরে
আর কই
বিরহ নিজের শুধু, টাকা-ব্যাঙ্কবই-যৌনতা
কিছু নয় খালি দুলে ওঠে, ছায়ার তলায়
নরক
নরকে আছি
পাতা খাই আর ভাবি আমার পূর্বপুরুষ
আমার সম্বন্ধে কি পূর্বাভাস করেছিল, খালি হার, হাড়
অস্থি নেই, কঙ্কাল জড়িয়ে শুয়ে আছি
তোমাদের পায়ের ভেতর আমার জামানত, নরকে আছি
গুলজার বলে যে গান লেখে, তার শব্দ বড় অস্থির
আমি জানি গান আসলে হারমোনিয়ামের পিঠে বাচ্চার কাঁথা
গু-মুতে ভরা, নরকে আছি… সাতটা বাড়ি পরে আমার
কঙ্কাল জড়িয়েও কেউ শুয়ে আছে… সম্ভোগ নেই… এসবের
মাঝে একটাই নরক, আকাশ, মেঘ আর কোনো বাঞ্চোত বৃষ্টি
এখানে আসে না কোনোদিন