গু চ্ছ ক বি তা
দে বা শি স   সা হা
মানত
মানত করি
মানুষের মঙ্গল কামনায়
শ্মশানে আর কবরস্থানে
হাসপাতালে আর ডাক্তারখানায়
ভীড় ভীষণ ভীড়
অভ্র দেওয়া চোখ নামিয়ে দেখি
প্রেম চলে যাচ্ছে ঝোঁপ – জঙ্গল ছাড়িয়ে
নদীর দিকে
এখন আর কেউ নদীর জন্য মানত করে না
নদীর মরণ হলে
ঠান্ডা ঘরে চলে উল্লাসের মহড়া
নদীর সমাধির উপরে নির্মাণ হবে তাজমহল এপার্টমেন্ট
একটা গোটা মহল্লা অনেক গুলো মমতাজ নিয়ে
লিভ টুগেদার করে সেই দশ বাই দশ রুমে
মানত করে পরের জলাভূমির মরণের।
চোখ
চোখ খুললেই
বেরিয়ে আসে সাপ
চোখ তুললেই জ্যোৎস্নাময় হয়ে যায় বিছানা
অহংকার সরিয়ে দেখি
প্রেম নেই
এক গুহা শাসন করে দামাল গোখরো
কোথাও কোনো ভালোবাসা নেই
হিংসা কিলবিলায় সমস্ত হৃদয়ে।
বসুন্ধরা আবাসন
গাছকে বলেছি
অসুখ ভালো হলে
এ পৃথিবী গাছেদের হবে
পৃথিবীর প্রতিটি গ্রাম – শহরের মোড়ে মোড়ে
রাজত্ব করবে এক – একটি গাছ
গাছেরা ভীষণ বিশ্বস্ত কথা রাখে
অসুখ ভালো হয়ে যাবার পর
জলাভূমি মেরে গাছ কেটে
বানালাম বসুন্ধরা আবাসন।
বোতাম
গোপন পাহারা দেয় বোতাম
দেহরক্ষীর ভূমিকায়
কেটে গেছে ইহকাল
পরকালেও বোতাম সেলাইয়ের বিকল্প
খাবারের চারপাশ ঘিরে থাকে
বোতামের আত্মীয় – স্বজন
হুক শিল্প থাকে বোতামদের পাড়ায়
হুক জেগে গেলে
শুরু হয় বোতাম বিপ্লব
বোতাম খুললেই
আবিষ্কার হয় অন্য এক দেশ।
শরীর
শরীর লেখো পুরুষ
শরীরে রেখো আলো রঙের আদর
রেখো অগ্নিকুণ্ড
মরণঝাঁপে জুড়াবো মন
আদর রঙের আলোয় ভেসে যাবে ব্যস্ত সময়
আলো দেখে দেখে
পথ চিনে চলে আসবে ভোর
শরীর আঁকো পুরুষ
শরীরে আঁকো শান্তি
নিরিবিলি পেয়ে চাঁদ এসে ঘুমাবে
আমাদের শান্ত চরাচরে।