কো থা য় কী
হ্যালো টেস্টিং টিম
‘হংসধ্বনি’-র বার্ষিক নৃত্য প্রদর্শনী
গত ৩০শে এপ্রিল বিশ্ব নৃত্য দিবস উপলক্ষে কলকাতার যোগেশ মাইম একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ‘হংসধ্বনি’-র বার্ষিক নৃত্য প্রদর্শনীর দ্বিতীয় পর্ব, ‘নৃত্য, সিজন ২’। দূরদর্শনে এ-গ্রেড প্রাপ্ত ওড়িশি শিল্পী এবং হংসধ্বনির প্রতিষ্ঠাতা লাবণ্য ঘোষের পরিচালনায় সমগ্র অনুষ্ঠানটি সফল ভাবে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি ছিল প্রয়াত গুরু পৌষালী মুখার্জির স্মৃতির উদ্দেশ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি।
এই উজ্জ্বল সন্ধ্যায় উপস্থিত ছিলেন বিখ্যাত প্লেব্যাক গায়িকা, গীতিকার এবং সুরকার অন্বেষা দত্ত গুপ্ত, ওড়িশি শিল্পী এবং পণ্ডিত, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অতিথি প্রভাষক ডঃ অর্পিতা ভেঙ্কটেশ, আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান ওড়িশি শিল্পী এবং ‘নৃত্যশিরোমণি’ উপাধিপ্রাপ্ত গুরু মোনালিসা ঘোষ, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পারফর্মিং আর্টস থেরাপির সমন্বয়কারী শ্রীমতী রেমন্তী রাই, বিশিষ্ট ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নৃত্যশিল্পী শ্রীমতী এশা গোস্বামী ও আরও অনেকে। সন্ধ্যাটি শুরু হয়েছিল অনন্যা গোস্বামীর মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন পর্বের পর সম্মানিত অতিথিদের সম্মাননা প্রদান করা হয়।
এরপর ‘হংসধ্বনি’র ছাত্রছাত্রীরা পরিবেশন করে ‘গুরু ব্রহ্ম’, সিগনেচার ওড়িশি দল এবং ত্রয়ী উপস্থাপনা করে ‘মঙ্গলাচরণ’ এবং ‘বাটু’। এছাড়াও সিনিয়র ছাত্রছাত্রীদের একক ওড়িশি নৃত্য পরিবেশন প্রশংসার দাবী রাখে।
এরপর ‘হংসধ্বনি’র ছাত্রছাত্রীরা পরিবেশন করে ‘গুরু ব্রহ্ম’, সিগনেচার ওড়িশি দল এবং ত্রয়ী উপস্থাপনা করে ‘মঙ্গলাচরণ’ এবং ‘বাটু’। এছাড়াও সিনিয়র ছাত্রছাত্রীদের একক ওড়িশি নৃত্য পরিবেশন প্রশংসার দাবী রাখে।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয়ার্ধটি সৃজনশীল এবং আধা-ধ্রুপদী অংশের একটি প্রাণবন্ত প্রদর্শনীতে রূপান্তরিত হয়। হৃদয়গ্রাহী আকর্ষণ ছিল ‘হংসধ্বনি’ নিবেদিত ‘মাদার্স ডুও স্পেশাল’, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে একটি নৃত্যের চেতনা উদযাপন করে। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন অনুক্তা ঘোষাল।