কো থা য়  কী

নীল নির্জন

no_image

১৯ মে ভাষা শহীদ দিবস উদযাপন ও সম্মাননাজ্ঞাপন

এক মুঠো রোদের ব্যবস্থাপনায় ইসলামপুরে বাংলা, বিহার ও অসমের কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি কর্মীর অংশগ্রহণে ১৯ মে ভাষা শহীদ দিবস ও মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উদযাপন কর্মসূচি প্রতিপালিত হয়। সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন উপস্থাপনার পাশাপাশি এক মনোজ্ঞ আলোচনাচক্রে বিশিষ্ট বক্তাদের অংশগ্রহণ কর্মসূচিকে সমৃদ্ধ করে। এছাড়া সদ্যপ্রয়াত লেখক তথা শিলিগুড়ির সাহিত্য সংগঠক বিপদভঞ্জন সরকারের স্মৃতিচারণ করেন এদিনের সভাপতি নিশিকান্ত সিনহা। ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে ভাষা নৃত্য পরিবেশন করেন নটরাজ নৃত্য মন্দিরের তিন শিল্পী। কবিতা আলেখ্য উপস্থাপন করেন শিলিগুড়ির ঘোড়সওয়ার সম্পাদক নীহার রঞ্জন দাস ও কালপুরুষ নাট্য সংস্থার রীতা পাল দাস। প্রায় পাঁচ ঘন্টা দীর্ঘ এই কর্মসূচিতে গ্রন্থ প্রকাশ ও গুণীজন সংবর্ধনা এক ভিন্ন মাত্রা প্রদান করে। সমগ্র অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অনুজপ্রতিম কাজল দাস।

এক মুঠো রোদ ভাষা শহীদ স্মারক সম্মান, ২০২৪ লাভ করেন স্মৃতিকণা মুখোপাধ্যায়। কালিনী সাহিত্য সম্মান লাভ করেন মৃণালিনী ও কালিনী সমাজসেবা সম্মান লাভ করেন মিলি ভৌমিক। অরুণেশ্বর দাসের মায়ামঙ্গল মরণোত্তর সঙ্গীত পুরস্কার গ্রহণ করেন গৌর সরকারের ছেলে জ্যোতির্ময় সরকার এবং মায়ামঙ্গল সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন আবীরা সেনগুপ্ত। রাধাবল্লভ রায় স্মৃতি পুরস্কার লাভ করেন পাশারুল আলম। পাশাপাশি “মানিক সাহিত্যের মূল্যায়ন” শীর্ষক প্রবন্ধ গ্রন্থ প্রকাশ করেন রণজিৎ হালদার।

সম্পাদক প্রসূন শিকদার বলেন, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে সেভাবে কোনও কাজ হয় না। সমগ্র উত্তরবঙ্গে সম্ভবতঃ কেবলমাত্র ইসলামপুরেই এবার মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মজয়ন্তী উদযাপন করা হল। মানিক সাহিত্যের যথাযথ মূল্যায়ন এবং অনুবাদ হলে তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করতেন।