দু টি ক বি তা
১
কোন সে অন্যের বাগানে পিষে গেল ধূসর প্রজাপতিটি…
তোমারও বাগান ছিল, দুটি পা ছিল দেব-চুম্বিত, মেধার্ত ওজন—
আমার সলীল ডানাদুটি, হায়…
২
হেমন্তের পথ ধরে চলতে চলতে মনে হয়
বসন্তে উষ্ণতার ততটা দরকার নেই,
যা হেমন্তে অধিক দরকার।
তবুও হেমন্ত আজও অবসন্নতার কাল…
৩
মহাবালেশ্বরের নির্জন বনপ্রান্তরে যে মেয়েটি
একা একা গান গেয়ে ঘোরে, তার কাছে পুরুষ যেও না…
পরির রাজ্যে পুরুষেরা চিরকাল অনধিকারীই!
৪
আঙুর-পাতার ফাঁক দিয়ে আসা বিকেলের পাহাড়ী আলোয়
তোমার মুখ, তামা-প্রবাহের মতো চুল, আশ্চর্য চোখের সুগন্ধে
একদিন ডুবে যেতাম কোনো জন্মে…
৫
চিঠি দিও। যে চিঠি কোনোদিন পৌঁছবে না।
আসবে আসবে ভাবতে ভাবতে অন্যমনস্কতায়
কেটে যাবে একটা জীবন, মৃত্যুভয়হীন…
৬
কোনোদিন দুঃখ পাওনি?
তবে তুমি কোনোদিন প্রেমও পাওনি!
৭
অত চিৎকার করে যেতে নেই। শান্তভাবে যাও।
সর্ষেক্ষেতের ওপর দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে
আমি হলুদ হয়েছি, বিবাহ হইনি যেরকম, তেমন বীণায় বীণায়…
৮
তুড়ি মারলে পুরুষ আসে!
মরে গেলেও ভালোবাসা আসে না!
অসুস্থ কোকিল মুক্তি দিতে জানে তাই।
প্রেম ছাড়া আর কিছু জমিয়ে রাখার যোগ্য নয়!
৯
ভালোবাসতাম…
এটুকু কথার মধ্যে বর্তমান নেই,
সমস্ত জীবন রয়েছে…
খিদের পৃথিবীতে অতীতই হৃদয়, পারাপার…
১০
প্রতিটি শীতের রাতে একটি মমি জেগে ওঠে নীলনদের তীরে…
শরীর এখনো রয়েছে…
প্রাণ জাগবে না প্রেমিকের?