সেই নারীর মতো…
রাত্রি নামার পরেই
সেই নারীর মতো
লোকে বলে যাকে সোনালী ক্রসের কাছে বিরাট কাঠ-ব্রীজের উপর
দেখা গেছে, যা দৈর্ঘ্যে বেশ বড়। একটা দেওয়ালের উপর রাখা যেটা মূল আর্কওয়ের থেকে মুখ উঁচিয়ে আছে,
দ্বিতীয়টা
দুটো প্যারিশের মাঝে সীমান্ত চিহ্নিত করে আর শুল্ক দপ্তরও
জল কত শান্ত আর আমি কত প্রায়শই ঘোলাটে হয়ে পড়ি
বলেছিল নারী
আমি এখানে কত একা বোধ করি, কত পরিত্যক্ত
ক’টাই বা নৌকো আমার উপর দিয়ে বয়ে যায়
সত্য…
সত্য, এটা অথবা ওটা, তবে অন্তঃসার নয়। একটা পেঁয়াজ কাটো, তুমি দেখবে
ওটা গলে যাবে।
গণনা সঠিক হওয়ার জন্য সমস্তটা বলতে হবে; একের সাথে আরেক সংযুক্ত প্রাচীন
পাথরের ফাটল ধরা, আশাহীন উদয়, একটা দিন আর
তারপর আরেকটা এবং আরেকটা
কি ক্লান্তি। বালতিদের আসা যাওয়া ক্লান্তিকর।
বলছি কি। একটা স্মৃতিচিহ্ন অবধি নয়। কখনও সখনও পটকা-বাজি
আত্মহারা হয়ে আমি কখনও কোথাও যাই না।
উলটো পালটা হয়ে…
নিজের অভ্যন্তরীন সুতো দেখানো দস্তানার মত উলটো পালটা হয়ে, শীঘ্রই আমি
আমার প্রয়াত শব্দরা, এবং আমায় মোড়ানো প্রণয়ী চাদর
ছাড়া কিছুই থাকবো না
ওর পুরুষাঙ্গ এখনও বেশ শক্ত, এ যেন ওর বিয়ের দিন। কেবল
একটা কাঁধ ছায়া ছুঁয়ে ফেলে। পুরুষেরা আশেপাশে বসে আছে। ওদের
হাত টেবিল চাপড়াচ্ছে
গলিটা বড়-রাস্তায় পেকে ওঠে। এক একাকী পরিত্যক্ত পাখি।
আঁখি-পল্লবের কমলাভাব
ওরা বলে এক নারী…
ওরা বলে এক নারী বিলীন হয়েছিল
এক উলটো-পথগামী পুরুষ
তাকে বদ্ধ রাখে
তাকে ধাক্কা দেয়
লয়ার নদী তার বালুকাবৃত সৈকত
অনাবৃত করে যেখানে পাখিরা
ডালপালার মত
অন্ধকার আকাশটা
বাসারই সংযুক্তি
ইতিমধ্যে উৎসব নিজের ছন্দে চলেছে পদমর্যাদা ও প্রত্যেকের দায়িত্ব অনুযায়ী
তৈরি আইনের মতে প্রতিষ্ঠিত অনুপাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত প্রতিনিধি বা বিশ্বস্ত
শিক্ষক কর্মীসভার সকল সদস্য উচ্চ-পদস্থ সভ্যদের সামনে
হিপোক্রাস সুরা কেক এইসব স্তূপাকৃত ছিল
ঈশ্বরের নামে…
ঈশ্বরের নামে
এবং সেই সম্প্রতি মৃতা
মাননীয়ার স্মৃতিতে
যার নাম রাসিন
বুদ্ধিদীপ্ত ও যার খোঁজ করে জল
যিনি সম্প্রতি চলে গেলেন
সতেরোই জুলাই সন এক হাজার…
তাঁর কাজের মাঝে
রেখে গেলেন এক
সাধারণ নারীর দৈনন্দিন
চিরন্তন প্রতিচ্ছবি
নদীর তীরে ব্রীজের পাশে যার
খোঁজ মেলে অথবা অন্য কোনো লোডিং ডকে
যাকে শুল্কগ্রাহকেরা চিরস্থায়ী করে রাখবে
যা অনুচ্চারিত
অথচ পরিচিত
সত্য ঘটনা অথবা শ্রুতি