ঠিক সময়
আমার চাহনি
ওদের মুছে দেওয়ার আগেই
বারান্দাটা গাছটা
নদীটাকে ফিরে দেখার
টেবিলটাকে এক ঝলক দেখে নেওয়ার
এটাই সঠিক সময়
আমায় ফিরিয়ে দাও
সূর্য ও বৃষ্টির মাঝের পার্থক্য
আমায় ফিরিয়ে দাও
আমার বিপুল একাকিত্ব
যার মাঝে আমি ছুটে বেড়াতে পারি
আমায় আকাশটা ফিরিয়ে দাও
ঘন্টাগুলো বছরগুলো
একটা জানলা
কীভাবে আমার আর জানা নেই
নদীর সাথে পথ চলার উপায় আমার আর জানা নেই
জলপৃষ্ঠে ভেসে ওঠে বেগুনি কাদা
বালি আবৃত তটে ঘুরপাক খায় ফেনা
ছুটে যায় পাড়ে পাথর ছুঁয়ে বাঁধনহীন ফিরে আসে
তলদেশে বিস্মৃত সান্ধ্য শরীরী ধারাকে দিগন্তে আলিঙ্গন করে
অলস গ্রীষ্মের সাথে খয়েরি কাঁধে কাঁধ মেলানো ছুট
বেগ ও স্থিতি’র অবকাশে বহমান ডাগর সোনালী বাতাস
দেওয়াল ছুঁয়ে স্মৃতিশূন্য করে আমায়
কীভাবে এ শহরকে লিখতে হবে তা আমার আর জানা নেই
আকাশ থেকে এক পৃথিবীমুখি খড়্গ নেমে আসে
নগর পথের ধারে ঝুঁকে পড়ে অট্টালিকার মুখ
সন্ধ্যা আর হাতুড়ি ও পিপাসু জমি দিয়ে তৈরি রক্তে
ভেজা আমার হাতে আমি তাকে দেখতে পাই
এ মাটির দিকে কীভাবে চাইতে হবে তা আমার আর জানা নেই
যেখানে আমার পরিত্যক্ত মৃত্যুর শিকড়
তার ধুলোমাখা সীমান্তের আশেপাশে ঘুরপাক খাওয়ার জন্য আমায়
ছেড়ে আসে যেখানে ফেরার রাস্তা নেই
আমাকে আমার জন্য অপেক্ষমান দেখতে চাওয়া আমাকে চাওয়া
কীভাবে ভুলি তার দূরত্ব এই সৈকত
যা আমার অন্তরে হাল চালাচ্ছে
সে আমার জন্মস্থলের স্বপ্ন হরণ করবে কীভাবে বিস্মৃত হই
ফুঃ
উনুনের ভিতর
এলোমেলো শব্দের উপর
কদাচিৎ
ফুঃ
আমি আমার প্রতিবিম্ব নেড়ে দিই
পৃষ্ঠার উপর ছড়িয়ে থাকা
অদৃশ্য জলের ভিতর
মৃদু প্রবেশের চাহিদায়
নিরুদ্দিষ্ট মুখটা সেখানে খুঁজে
পাওয়ার স্বপ্নে
আকার না বুঝে
এক মাটির ছবি আঁকতে
আরো এক গভীর
নগ্ন আরপেজিও-র সাথে
এক কন্ঠের সুর মেলানোর তাগিদ
শূন্যের মাঝে
শূন্য ও
পৃথিবী
স্বর ও শূন্যতা
শব্দ ও অসমাপ্ত প্রতিধ্বনির
আবর্তের
মাঝে