ক বি তা
তৈমুর খান
যা লিখতে পারি
যা লিখতে পারি তা শুধু শূন্যতা
অনেক মৃত্যুর পর এই শূন্যতার ঘর
শুধু শূন্য দিয়ে ভরা
কাকে ডাকি তবে?
কাকে চেঁচাই বারবার?
একটি জীবন শুধু ডাকার ভাষা জানে
ডেকে ডেকে চলে যায় সমূহ প্রহর
এখানে সোনালি রোদ
ঘুঘু পাখির রং পায়
এখানে প্রখর চোখ
দৃষ্টিহীন অন্ধকার হয়
এখানে নতুন দিন, পুরনো দিন
এখানে নতুন লেখা, পুরনো লেখা
সবাই শূন্যতা নিয়ে খেলে
বিবাহে অথবা বিবাহবিচ্ছেদে
সবাই হলুদ মাখে, বিরহের তাপ মাপে
আমাদের সংস্কৃতিপাড়া
যে রোদের কাছে শুকাতে এসেছি ক্ষত
যে নদীর স্রোতে ভাসাতে এসেছি লখিন্দর
আমাদের সংস্কৃতিপাড়া, দ্যাখো
বেঁচে থাকা কীরকম দায়!
অশনি সংকেত বুঝি,
অশনির ভয় আলোক ঐশ্বর্যে চমকায়
যদিও বৃষ্টি আছে— খোলা জানালায়
কল্পনারা হাসতে হাসতে যায়
বর্ণনার মেঘের মিছিলে একটিও নক্ষত্র থাকে না
চাঁদেরও বিকল্প নেই
শুধু দুঃখের জোনাক থেকে সহিষ্ণু ঝিলমিল
শব্দ ও অক্ষরে বিশ্রাম চায়
ক্ষতও শুকাবে না, নদীও ভাসাবে না দেহ
সব ইচ্ছার বিধবারা তবুও ভাসাবে ভেলা
দৈবের সংকেতে স্রোত কাল ভেদ করে ছুটে যাবে
মিথ্যার টোপর পরে বসে থাকবে সংস্কৃতিপাড়া