সিনেমা যখন কবিতা । পর্ব ৩

পেঙ্গুইন ব্লুম | আকাশ-জলের মাঝের সেতুতে তাদের শান্তির সহাবস্থান নির্মাণ করে জীবন…
দেবাশিস ঘোষ

আমার প্রজাপতি দিন দুঃখ ঢালে শাদা পাতায় আমি ব্লটিং পেপারে তার কিছুটা শুষে নিই বাকিটুকু…
সুদীপ ঘোষাল

দুঃখগুলো মাটির ভাঁড়ে জমিয়ে রাখি
কষ্টগুলো একটা একটা করে ঝরে পড়ে শরীরের সৈকতে ভালবেসে…
সুকান্ত দেবনাথ

অশ্রুমতি চোখের জলের সান্ধ্য ভাষা
আমি জানি ; তাই নদীর জলে ভাসিয়ে দিই…
সুদীপ্ত বিশ্বাস

আলোকবর্ষ পেরিয়ে উড়ে চলেছি
আলোর চেয়েও জোরে অনেক দূরে পড়ে রয়েছে ছোট্ট পৃথিবী…
সৌমনা দাশগুপ্ত

এত এত আলোর নিচে একা হতে হতে এতোয়ারি কেবল অন্ধকার খোঁজে, তার চিরপরিচিত আদিম অন্ধকার…
তুষার ভট্টাচার্য

অশ্রুমতি চোখের জলের সান্ধ্য ভাষা
আমি জানি ; তাই নদীর জলে ভাসিয়ে দিই…
দীপ্তেন্দু জানা

দৃশ্যের ভেতর কোন জাহাজ নেই
দৃশ্যের ভেতর কোন সমুদ্র নেই
অথচ একটা জাহাজের নিচে…
শুভম

এই বসন্তে, যে গাছটির নতুন পাতা এলোনা সে আমার বাবার মতোই
দায়বদ্ধতার শীর্ণ ডালপালা মেলে…
মনীষা মুখোপাধ্যায়

এখন অতীতের পাশে চুপ করে
বসে আছি দিনান্তের ধুলো উড়ে চলে যায়, গোপনে, সরে…
মৌমন মিত্র

একটা অধ্যায় শেষ হল। এবার শূন্যস্থান। এই জায়গাটা কী লিখে ভরাবো ভেবে পাচ্ছি না খুঁড়িয়ে…
তৃষ্ণা বসাক

ওখানে এখন জলের রঙ কাঁচা হলুদ বাটা, কারণ সেই জল তুলে থাবড়ে থাবড়ে সারা গায়ে মাখছে…
ফ্রাঁসিস পঁঝের কবিতা

ফ্রাঁসিস পঁঝের কবিতা । অনুবাদ করেছেন অমিতাভ মৈত্র
Editorial-February
আরো একটি সংখ্যা নিয়ে হাজির হলো ‘হ্যালো টেস্টিং বাংলা কবিতা’। এবারও থাকছে কিছু নতুনত্বের স্বাদ। আমরা প্রতিটি সংখ্যাতেই চেষ্টা করে চলি পাঠককে চিন্তার খোরাক পৌঁছে দেবার। আপনাদের যে কোনো মতামতই তাই বারেবারে আমাদের কাছে পাথেয়। আপনারা মেল করুন, কিংবা লেখার লিঙ্কে কমেন্ট করে মতামত জানান। আপনাদের সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়েই আমরা বর্ষপূর্তির পথে এগোতে চাই।
প্রায় বছর ঘুরতে চলল ‘হ্যালো টেস্টিং বাংলা কবিতা’ প্রকাশের। অনেক পত্রিকাই এক বছরের আগে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। আমরা নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও লড়াই জারি রেখেছি। কুৎসা, হেয় করার প্রবণতা, দলবদলের আবহে আমরা-আমাদের টিম এখনও ভালো কাজের পক্ষে দাঁড়িয়ে এককাট্টা। তাই যখন দেখি আমাদের পত্রিকার পোস্টার কিংবা আরো কোনো ভালো কাজ নিয়ে অনেকে নিজেদের কাজে এদিক-ওদিক করে সেগুলোকে ব্যবহার করছেন, তখন ভালোও লাগে আবার দুশ্চিন্তাও হয়। ভাবনার দৈন্য বা শর্টকাটে কিছু করে জনপ্রিয় হওয়াই কি এখন মূল লক্ষ্য! সে উত্তর ভবিষ্যৎ দেবে হয়তো। আমরা আমাদের প্রচেষ্টা প্রতি মাসে জারি রাখব, মানুষের ভালোবাসা আর সম্মানের উপযুক্ত মর্যাদা যাতে দিতে পারি।
কঠোপনিষদে বলা হয়েছে, এই জগতের যাবতীয় আকাঙ্ক্ষিত বস্তুকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়- শ্রেয় ও প্রেয়। আবার অনেকে বলেন, এর একটু বা ওর একটু মিশিয়ে নিলেই তো কাজ হয়ে যায়! কিন্তু যে সুখ কর্মের দ্বারা লাভ করা যায়, আমাদের কাছে সেটাই তৃপ্তির। তাই ‘হ্যালো টেস্টিং বাংলা কবিতা’ শ্রেয় ও প্রেয়-র মধ্যে সমতা রক্ষা করে সবার কাছে পৌঁছতে চায়। সকলে ভালো থাকুন, আমাদের পাশে থাকুন। পত্রিকা আপনাদের কাছে পৌঁছে দিলাম, মতামত ভীষণভাবে কাম্য।
উজ্জ্বল পাঠ । পর্ব ৮

উজ্জ্বল পাঠ । পর্ব ৮ । সেলিম মণ্ডল । ছায়া কিংবা স্বপ্নবাগানের কবি: গৌরাঙ্গ ভৌমিক
মিসিং ভাষা

মিসিং জনগোষ্ঠীর নিজের ভাষা হল ‘মিসিং ভাষা’। এই ভাষার আজও কোনো নিজস্ব লিপি নেই…