Skip to main content

Hello Testing

বন্ধুসুন্দর পাল

বর্ষাকাল, বালিকা বিদ্যালয় । বিচ্ছিন্ন ক্লাসরুম । পাকা কয়েতবেলের মতো হই হই হাসি ম ম করছে সপ্তম শ্রেণীর…

ঐশী চক্রবর্তী

বিফলে গেছে নিজেকে চেনানোর সব ছল ছায়াপথে চিনলেও এখানে তাকে চিনতে পারেননি রাজা…

পলাশ গঙ্গোপাধ্যায়

আমার একটা পেখমওয়ালা ঘুড়ি চাই
মাঞ্জা বানিয়েছি অনেক কষ্ট করে
সুতোয় পরিয়েছি তাকে, রক্তাক্ত…

দেবজ্যোতি দাশগুপ্ত

শব্দেরা তৃণভোজী; মিথোজীবীও।
একে অপরের সহায়তায় রোপণ করে মহীরুহ। সাবলীল ভঙ্গিমায়…

বিশ্বজিৎ আঁকুড়ে

আমার নামের পাশে কোনো আর্য অক্ষরমালা নেই ব্যর্থ নাকের ডগায় অনামি সেই বাঞ্ছিত তিল চোখের

সুস্মিতা অধিকারী

সব রঙ ফুরিয়ে গেলে কতদূর হেঁটে যেতে পারে মানুষ! শহর জুড়ে নেমে আসা শ্রাবণের সন্ধেগুলি সমুদ্র বাতাস

অভিষেক সৎপথী

কাছিমের পিঠে বসে যখন দুনিয়া দেখি তখন আমরা অন্য কিছু হয়েও সরীসৃপ। খেজুরের ছায়ায় মাখা লাল রাস্তায়

ঋভু চট্টোপাধ্যায়

কখনো বা একটা সূত্র থেকেই জন্ম নেয় উদাসীন উপত্যকা। ঘাড় ও হাড় ভাঙা তথ্যের খাটনি থেকে দিব্যি

সমর সুর

নিস্তারিণী মন্দির থেকে যে রাস্তাটা সোজা চলে গেছে সেখানে আক্কেলজ্ঞানহীন ভাবে বৃষ্টি নামে

তমোঘ্ন মুখোপাধ্যায়

আকুল গাছের মতো বোবা পরিবার ছুঁয়ে থেকে হাতপাখা নেড়ে বলি, সুখটুকু খাও শেষপাতে। সামান্যই আয়োজন, লাজুক

দীপ শেখর চক্রবর্তী

মানুষের যত কৃপণতা সকলই স্নানঘরের আয়নার দীর্ঘের কাছে আমাকে এই মনুষ্যজন্ম কখনও বলেনি ঠিক কখন

রাজদীপ ভট্টাচার্য

আমার শহর মানে বাড়ি আর বাড়ি আর চেনা জানা রাস্তার গলিপথ সেইসব বন্ধুরা যারা আজ ব্যস্ত ও জীবনের

সুদীপ চট্টোপাধ্যায়

সামান্য উপকরণ দিয়ে একটা সমুদ্র বানাতে চেয়েছিলে যাকে হাতে নিয়ে বাড়ি ফেরা যায় কখনও বা প্রয়োজনে

অনিমিখ পাত্র

অনভ্যস্ত হাতে ঠিকই কোনো একটা আলো ফুটে যায় সে সব সকালে নম্র হয়ে আসে দূরের কুয়াশা গায়ে গায়ে

অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়

একটা জ্বলন্ত স্টোভ গড়াতে গড়াতে রাস্তার একপাশ থেকে অন্যপাশে গেল আমি এক স্বপ্নের ভিতর দিয়ে…