Hello Testing

সোমা দত্ত

পাখির ভাষায় কথা বলি চলো কুহুতে বলি খিদে, কুহুতে বলি প্রজনন কলহ বিবাদ রাখি কূজনে বাকিটা উড়িয়ে দিক হাওয়া…

অমিত মজুমদার

পৃথিবীর সব বিপদ কেটে যাবার পর বাঘ আর হরিণ একঘাটে জল খেতে আসে আমাদের কাজ সকাল সকাল প্রতিটা ঘাট…

সৌমক দাস

এই যে তুমি আমায় দেখার চেষ্টা করছো— এই যে আমি তোমায় দেখার চেষ্টা করছি— মাঝের একটা দেওয়াল তাকিয়ে হাসছে…

বনশ্রী রায় দাস

গুঁড়ো গুঁড়ো বৃষ্টি, বর্ষামাস এখন ঝিনুক ভিজলেও ভেজে না বালি, কোথাও জমে নেই শ্রাবণের টুকরো…

শোভন মণ্ডল

তোমার ঠোঁটের কোণে লেগে থাকা স্ট্রবেরির গন্ধআমার ভালো লাগেবন-ফায়ারের সামনে তোমার লাল-কালো…

শঙ্খজিৎ দে

তুমি ডাক শুনতে পাওনা কোনোভাবে?বিশুদ্ধ এই নাগরিক শরীর— অথর্ব, বোবা অথবা নিরুত্তাপ…

গোবিন্দ সরকার

এই বিপরীতনামা দেখতে দেখতে টসে হেরে আত্মহত্যা করে দুটো ফুলযে যার মতন ডুব দিই; ভুলে যাই বন্য কুবোপাখি হয়ে কূজন…

আব্দুল রহিম

ঈশ্বরকে সামনা সামনি দেখার কোনো ইচ্ছা আমার নেই আমার ইচ্ছা সীমিত একটা শুকনো কংক্রিটের মতো মানুষগুলো গাছ…

এন জুলফিকার

প্রতিটি হনন— রাতে জন্মকে গাঢ় করি আরও।আরশিমহল থেকে উড়ে আসে মখমল,চুমকি, চামর আর প্রসাধনী…

সুপ্রভাত মেট্যা

অবিনাশের বাগদী পদবীটা তুলে দিতেকে না কে তাকে বলেনি। রিমিও বলেছিল।শোনেনি অবিনাশ…

ফাল্গুনী দে

চানঘরে আয়নায় লালটিপ। সম্পর্কের ভাঙাচোরা প্রিয় অনুরাগপুরনো অভ্যাস ছাড়ে না কিছুতে। অ্যালকোহলে মোছে না…

অরিত্র চ্যাটার্জি

কাগজ থেকে ফুলটুকু যে অতি সন্তর্পণে বাদ দিয়েছিলসেই সিপিয়াসর্বস্ব মেয়েটি বাগানে তার স্বপ্ন লিখে রাখছে এখন…

পার্থ সাহা

নারী তুমি আকাশ হবেআমি মেঘের ওপর কবিতা রেখে দেবো একটা দুটোশব্দের দেহহেরে যাওয়া– নাই বা বললো…

বর্ণালী দত্ত

কেউ কখনো জানতে পারবে না আমি রোজ রাতে কাকে ভালোবেসেছি, কাকে জড়িয়ে দিয়েছি আমার পোশাকের ওম…

কমলিকা দত্ত

সিল্যুয়েট থেকে ঝুলে আছে এক পৃথিবী, বিজ্ঞাপনের রুটি যেরকম গোলপ্রতিশব্দের খোঁজে ছাপাখানা থেকে বেড়াতে এসেছে…

মোহনা মজুমদার

সূঁচ দিয়ে সুতো টানতে গেলে প্লাবন আসে, কান্না ভেঙে উপড়ে নিই স্নান। আয়নার সামনে খানিক দাঁড়ালে বুঝি অভিশাপ…