অন্তরা সরকার

মুহূর্তেরা হলদে, লাল, কপিশ ফোয়ারায় খেলা করে। একটি নরম, আর্দ্র পালক আলগোছে শূন্য বুকে শিহরণ জাগায়…
সোমা দে

পাহাড় কিংবা তারা যতই তাদের কাছে যাও দূরে সরতে থাকে আর তোমাকে একা করে দেয় পিছনে তাকালে দেখা যায় সব কিছু…
বর্ণময় বাড়ৈ

বই পড়ে জেনেছি পাতা গাছের রান্নাঘর যদিও আমাদের রান্নাঘরে মৃত পাতারা জন্ম দেয় নতুন আগুন আগুনের সাথে খিদের…
অরিন্দম ভট্টাচার্য

নিঝুম আঁধারে ঘুমিয়ে ছিল গা— আমি ভান করেছি গান না শোনার তুমি পারলে না। রাতদুপুরে মাথায় রাখলে হাত, অমনি…
মনোতোষ আচার্য

নিজেকে অবলীলায় এতটাই ছোটো করে ফেলতে পারো যে বিন্দুও লজ্জা পেয়ে যায় সংকীর্ণ সড়ক মাড়িয়ে যেতে যেতে…
অনিন্দ্য সরকার

সিড়ি ভেঙে উঠেতুমি এসে বসো চৌকাঠে। আমি দূর থেকে চিৎকার করি ‘চৌকাঠে বসতে নেই’ তুমি শোনো না বসেই থাকো…
শুভঙ্কর দেব

ক্রমশ রাতের কাছে সব কিছু হেরে গিয়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া খুনি,আলোতে দাঁড়িয়ে তাকে প্রশ্ন করেছি আমি, কিছু…
অভিজিৎ

একবার আকাশ দেখতে চেয়েছিলাম তারপর নক্ষত্রের দৌড় তারপর আগামীর গরিমাআস্তে আস্তে এগিয়ে গিয়েছে…
শুভদীপ রায়

উপবনে আলো মরে এলে শোকাহত সারসের দেশে শান্তি নামে। রবাহুত শ্রোতাদের ভিড় থেকে শোনা যায় প্রবুদ্ধ-জাতক…
সৌমক দাস

জমিদার বাড়িতে ফাটল ধরেছে।ভেঙে ধ্বংসস্তূপ হয়নি এখনো।মাঝে মাঝে শুধু খসে পড়ছে… বালি অথবা ইট…
এণাক্ষী

কিছু মিল থেকে গেছে পছন্দের ভাঁজেকিছু মুখ থেকে গেছে দু’পাশেই এককিছু বই বিনিময় কোনও দিনও হলো নাগা ছুঁয়ে…
সুবীর সরকার

স্মৃতির মাঠে একটা বিকেল কাটাতে চেয়েছিলাম যে মাঠে গোল্লাছুট। শিকারির ভুল করে ফেলে যাওয়া টুপি…
গৌরশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়

এমন একটা দিন কি আসবেযে কোনো রুক্ষ দিনেওএকটা কবিতার জন্ম হবেমাঝে মাঝে বাতাসের গায়ে গায়ে থাকতে চাই…
কোয়েনা বাগচী

কোন সম্মোহন ডাকে আমায় প্রতিদিনকে আমায় রোজ ফিরিয়ে ফিরিয়ে দেয়? বিদায়বেলায় বাকি রেখে সব ঋণ মনের…
বঙ্কিমকুমার বর্মন

এইরূপে বিনীত পৌষমাস বিরহ লেখে হাঁটুজল নদী জানি, খুব মানি তার কিছু কথা সে বলতে নয়, আরও অধিক কিছু…
সুরভী চট্টোপাধ্যায়

দু’চোখের তোড়া থেকে খসে পড়েছে
সমস্ত গোলাপ সারি সারি কলমি লতা কচি ডাবের পাতার মতো নকশা তুলে…