ফাল্গুনী দে

চানঘরে আয়নায় লালটিপ। সম্পর্কের ভাঙাচোরা প্রিয় অনুরাগপুরনো অভ্যাস ছাড়ে না কিছুতে। অ্যালকোহলে মোছে না…
অরিত্র চ্যাটার্জি

কাগজ থেকে ফুলটুকু যে অতি সন্তর্পণে বাদ দিয়েছিলসেই সিপিয়াসর্বস্ব মেয়েটি বাগানে তার স্বপ্ন লিখে রাখছে এখন…
পার্থ সাহা

নারী তুমি আকাশ হবেআমি মেঘের ওপর কবিতা রেখে দেবো একটা দুটোশব্দের দেহহেরে যাওয়া– নাই বা বললো…
বর্ণালী দত্ত

কেউ কখনো জানতে পারবে না আমি রোজ রাতে কাকে ভালোবেসেছি, কাকে জড়িয়ে দিয়েছি আমার পোশাকের ওম…
কমলিকা দত্ত

সিল্যুয়েট থেকে ঝুলে আছে এক পৃথিবী, বিজ্ঞাপনের রুটি যেরকম গোলপ্রতিশব্দের খোঁজে ছাপাখানা থেকে বেড়াতে এসেছে…
মোহনা মজুমদার

সূঁচ দিয়ে সুতো টানতে গেলে প্লাবন আসে, কান্না ভেঙে উপড়ে নিই স্নান। আয়নার সামনে খানিক দাঁড়ালে বুঝি অভিশাপ…
অন্তরা সরকার

মুহূর্তেরা হলদে, লাল, কপিশ ফোয়ারায় খেলা করে। একটি নরম, আর্দ্র পালক আলগোছে শূন্য বুকে শিহরণ জাগায়…
সোমা দে

পাহাড় কিংবা তারা যতই তাদের কাছে যাও দূরে সরতে থাকে আর তোমাকে একা করে দেয় পিছনে তাকালে দেখা যায় সব কিছু…
বর্ণময় বাড়ৈ

বই পড়ে জেনেছি পাতা গাছের রান্নাঘর যদিও আমাদের রান্নাঘরে মৃত পাতারা জন্ম দেয় নতুন আগুন আগুনের সাথে খিদের…
অরিন্দম ভট্টাচার্য

নিঝুম আঁধারে ঘুমিয়ে ছিল গা— আমি ভান করেছি গান না শোনার তুমি পারলে না। রাতদুপুরে মাথায় রাখলে হাত, অমনি…
মনোতোষ আচার্য

নিজেকে অবলীলায় এতটাই ছোটো করে ফেলতে পারো যে বিন্দুও লজ্জা পেয়ে যায় সংকীর্ণ সড়ক মাড়িয়ে যেতে যেতে…
অনিন্দ্য সরকার

সিড়ি ভেঙে উঠেতুমি এসে বসো চৌকাঠে। আমি দূর থেকে চিৎকার করি ‘চৌকাঠে বসতে নেই’ তুমি শোনো না বসেই থাকো…
শুভঙ্কর দেব

ক্রমশ রাতের কাছে সব কিছু হেরে গিয়ে মৃত্যুদণ্ড পাওয়া খুনি,আলোতে দাঁড়িয়ে তাকে প্রশ্ন করেছি আমি, কিছু…
অভিজিৎ

একবার আকাশ দেখতে চেয়েছিলাম তারপর নক্ষত্রের দৌড় তারপর আগামীর গরিমাআস্তে আস্তে এগিয়ে গিয়েছে…
শুভদীপ রায়

উপবনে আলো মরে এলে শোকাহত সারসের দেশে শান্তি নামে। রবাহুত শ্রোতাদের ভিড় থেকে শোনা যায় প্রবুদ্ধ-জাতক…
সৌমক দাস

জমিদার বাড়িতে ফাটল ধরেছে।ভেঙে ধ্বংসস্তূপ হয়নি এখনো।মাঝে মাঝে শুধু খসে পড়ছে… বালি অথবা ইট…