আবদুর রাজ্জাক

তুমি কি পাতার গায়ে ধুলো হয়ে উঠেছিলে? উঠোনে ছড়িয়ে থাকা পরাণীয় রোদ!
জলধি হালদার

আমার অনেক ভবিষ্যৎ বলেছে চাঁদ পাতাপল্লবের ফাঁক দিয়ে গভীরে ঢুকে পড়েছিল একদিন…
সাম্যব্রত জোয়ারদার

রাত্রি তো অনেক হল, একা একা কথা বলা খাদ তার পাশে নিঃশব্দের রেলগেট এবার তো যাও দিনান্তে ঘুমোতে
উমাপদ কর

তোমার আমার লিকলিকে মুখাবলি
এঁকেছে বিদ্যুৎ। আকাশের ফালাফালা জলে নেমে এসে বিম্বিত কৈশোর…
তৈমুর খান

সূর্যমুখীর কাছে দাঁড়িয়ে আছি
আমিও ফুটব কবে? দীর্ঘ বনবীথি পার হয়ে আড়ষ্ট সঙ্গিন ছায়ায় একাকী
সৈয়দ কওসর জামাল

মৃত্যুময় এই পৃথিবী বদলে যাচ্ছে বদলে যাচ্ছে চোখের সামনে এই কি সেই পরিবর্তনশীল হাওয়াকল
সুমন গুণ

অসম্পূর্ণ থালাবাটি চারপাশে সাজিয়ে রেখেছ, চেনা আন্দোলন থেকে পেড়ে আনছ বাসনা ও ফল, মৃদুস্বরে
সুজিত সরকার

সত্যেন দাস একজন সাইকেলরিকশাচালক। সে সাইকেলরিকশা চালিয়ে কলকাতার
সুধীর দত্ত

বরফের চাঁই কামড়ে ব্ল্যাক টপে রাতভর শুয়ে আছ চাঁদ। উর্দিহীন তুমি কি কোনও ফৌজি তাক করে…
সুবীর সরকার

একটা নয় পিলারের সেতু বায়োপিক জুড়ে রান্নার বই মরে যাওয়া সাপের পাশে চিরাগ জ্বলে…
সেবন্তী ঘোষ

বৃষ্টির গন্ধের নিচে ভেজা কাঠ গুলি চাপিয়ে রেখেছো সন্তর্পণে, বাঁশের চোঙ দিয়ে কাঁচা ধোঁয়া গিলে নিচ্ছো…
সব্যসাচী সরকার

জোকার জানত, ডাইনি পিছনের দরজা দিয়ে পালাতে পারে। ডাইনি জানত, জোকার পিছনের দরজায় পাহারা…
রঞ্জন মৈত্র

অন্ধকারের উপর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ঢেউ এবং কেউ কেউ ধ্বনির শরীর একা দেখা শ্যামলছায়াটি
রাহুল পুরকায়স্থ

জেগে আছি, যেন বৃক্ষ, শতাব্দী-প্রাচীন,
আমার দেহের ওম ছড়িয়ে পড়েছে দেখি
কীটপতঙ্গের দিকে…
প্রবালকুমার বসু

একদিন বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ব নির্দিষ্ট চোখের উপরে ভিজিয়ে দেব, নির্জনে গড়িয়ে যাব অচেনা শরীর…
পাপড়ি গঙ্গোপাধ্যায়

হাতে হাতে শৃঙ্খল ছিল সঙ্গীতে সমবেত সুর সাথী ছিল পাগলা নিশান
মনে হত, নয় বেশি দূর সাম্যের…