Skip to main content

Hello Testing

রিপন হালদার

প্রায় দুই কিলোমিটার হাঁটার পর দোকানে পৌঁছে ছেলেটা আজো দেখল বাবা নেই। বেশ কিছুক্ষণ

Editorial-May

সারা পৃথিবীতে এখন মৃত্যুর কলরোল। প্রাণঘাতী ভাইরাস কেড়ে নিয়েছে আমাদের সব কিছু। গৃহবন্দী দশায় দিন কাটছে সবার। অনেকেই জীবিকাহীন হয়ে পড়েছেন, আবার হয়তো বা কপালজোরে যাঁদের চাকরি রয়ে গেছে, তাঁদের অনেকেই বেতন পাচ্ছেন না। আমাদের রোজকার জীবন এক ধাক্কায় বদলে গেছে আপাদমস্তক। ফের কবে বাড়ির বাইরে পা রাখা সম্ভব আগের মতো? উত্তর নেই কোনো। রোজ শুধু চোখের সামনে উঠে আসছে পরিসংখ্যান। আক্রান্ত-মৃত-সুস্থ, এর মধ্যে আটকে গেছি প্রত্যেকে। খবরের কাগজ, নিউজ চ্যানেল, ফেসবুক সর্বত্র আপডেট আসছে আতঙ্কের। আর কত দিন? জানি না কেউ।

ভিনদেশে । পর্ব ১

ভিনদেশে । পর্ব ১ । ঈশিতা ভাদুড়ী । হংকং-এ অক্টোপাস টিকিট খুব মজার লেগেছিল আমাদের…

মাহমুদ নোমান

তেঁতুল গাছতলায় পৌরাণিক ছায়া তোমার সলাজ ঠোঁটের ভেতরে জল খসিয়ে দেয়— ধসিয়ে দেয়

অদিতি বসুরায়

রাত দেড়টার ফোনকল যারা, স্বাভাবিক মনে করে, আমি সেই দলে পড়িনি কখনও তুমি ভেবোনা, আমি ফুল থেকে

তানিয়া চক্রবর্তী

এ চোখ জেগে ওঠে শেষরাতে এ রাতের তলপেট দিনের বুকের মতো শান্ত, অসুখে ছেয়েছে যে বৃদ্ধ উঠোন

পলাশ দে

কিছু একটা বলি, হিংসা দৃশ্যে ভয় লাগে ফিরতে ভয় লাগে গৃহে সঙ্গমে প্রত্যেক বার লেপ্টে থাকে মলমূত্রকফ

অরুণাভ রাহারায়

সে জানে রাত্রির গুহা, স্রোতের তপস্যা
জল ছাড়া কেউ বুঝি হাসি হতে পারে!
সে কেবল বইতে জানে, জেগে ওঠে

সেলিম মণ্ডল

আমি কি ঘুমে পাব‍‍‍— মানুষের শরীর?
আটকে থাকা ঘাসের ওপর মাড়িয়ে যাওয়া কোনো চিৎকারের প্রতিধ্বনি?

শ্যামশ্রী রায় কর্মকার

দুদিন দুরাত ভেসে সান্ধ্যনগরীতে কেন এলে ডিমলাইট জ্বলে উঠছে ব্লু মাগ ক্যাফেতে বাদামি টেবিল থেকে

অরিত্র স্যান্যাল

যদি সুরকে দেখা যেত— অন্যমনস্কতায় থিতিয়ে আসা— একটি ছায়া আলো ভেঙে ভেঙে এগিয়ে আসছে—

অভিমন্যু মাহাত

উত্তরায়ন বা দক্ষিণায়নে কোনো তর্ক নাই জাগতিক সন্ধায় ডুবে রাঢ়ের সামুদ্রিক হাত আলিঙ্গনে গুটিয়ে আছে

Hello world!

Welcome to WordPress. This is your first post. Edit or delete it, then start writing!