মোহাম্মদ হোসাইন

মেঘেদের গায়ে কোনো কাদা লাগে না তারা দূরদেশে উড়ে যেতে পারে পাখি সমাজে বিবাহ নেই, দুঃখও নেই…
মাসুদ পথিক

বউ, আপাতত আমার তিনটিই।
নৈঃশব্দ্য খাতুন ও নৈরাশ্য বেগম; ভোর হতে না-হতেই শুরু হয় তাদের চুলোচুলি, ঝগড়া…
কুশল ভৌমিক

আমার ঠাকুরদা একজন কৃষক ছিলেন
মাটিগন্ধা হাতে তিনি শস্য ফলাতেন
ধানের কাছে হৃৎপিণ্ড সমর্পণ করে
হাসিবুল আলম

পৃথিবীতে তখন ‘মানুষ’কাল। আমরা পরেছিলাম উল্লুকের পোশাক। মাথার মধ্যে ভূতের বাড়ি। সদর দরোজায়…
হাসান রোবায়েত

বিয়ের আসরে, ভাবো, সেই দিন কেমন দেখাবে তোমাকে—কীভাবে শাড়ি পরে সুখী বাতাসের মতো ভেসে যাবে
আবদুর রাজ্জাক

তুমি কি পাতার গায়ে ধুলো হয়ে উঠেছিলে? উঠোনে ছড়িয়ে থাকা পরাণীয় রোদ!
জলধি হালদার

আমার অনেক ভবিষ্যৎ বলেছে চাঁদ পাতাপল্লবের ফাঁক দিয়ে গভীরে ঢুকে পড়েছিল একদিন…
সাম্যব্রত জোয়ারদার

রাত্রি তো অনেক হল, একা একা কথা বলা খাদ তার পাশে নিঃশব্দের রেলগেট এবার তো যাও দিনান্তে ঘুমোতে
উমাপদ কর

তোমার আমার লিকলিকে মুখাবলি
এঁকেছে বিদ্যুৎ। আকাশের ফালাফালা জলে নেমে এসে বিম্বিত কৈশোর…
তৈমুর খান

সূর্যমুখীর কাছে দাঁড়িয়ে আছি
আমিও ফুটব কবে? দীর্ঘ বনবীথি পার হয়ে আড়ষ্ট সঙ্গিন ছায়ায় একাকী
সৈয়দ কওসর জামাল

মৃত্যুময় এই পৃথিবী বদলে যাচ্ছে বদলে যাচ্ছে চোখের সামনে এই কি সেই পরিবর্তনশীল হাওয়াকল
সুমন গুণ

অসম্পূর্ণ থালাবাটি চারপাশে সাজিয়ে রেখেছ, চেনা আন্দোলন থেকে পেড়ে আনছ বাসনা ও ফল, মৃদুস্বরে
সুজিত সরকার

সত্যেন দাস একজন সাইকেলরিকশাচালক। সে সাইকেলরিকশা চালিয়ে কলকাতার
সুধীর দত্ত

বরফের চাঁই কামড়ে ব্ল্যাক টপে রাতভর শুয়ে আছ চাঁদ। উর্দিহীন তুমি কি কোনও ফৌজি তাক করে…
সুবীর সরকার

একটা নয় পিলারের সেতু বায়োপিক জুড়ে রান্নার বই মরে যাওয়া সাপের পাশে চিরাগ জ্বলে…
সেবন্তী ঘোষ

বৃষ্টির গন্ধের নিচে ভেজা কাঠ গুলি চাপিয়ে রেখেছো সন্তর্পণে, বাঁশের চোঙ দিয়ে কাঁচা ধোঁয়া গিলে নিচ্ছো…