শোয়েরা সারওয়ার

একাকিনী সন্ধ্যামাখা গায়ে বিবর্ণ বাতায়নকেশে… অঙ্গুলিতে দিনভর লাশের ছায়ামূর্তিব্যাকুলমনে গলন ধরা নিঃশ্বাস
নাহিদা আশরাফী

রাষ্ট্রের মত ঘোলা একটি আকাশ দেখতে দেখতে মেঘের গজফিতায় মাপি হাহাকারের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ…
হেনরী স্বপন

শরীরের ঘ্রাণে যদি মাতাল জোয়ার উভচর হয়; বালুচরে ঢেউ যেন ভীরু কাছিমের মতো— অগোচরে মুখ…
প্রত্যূষা সরকার

কী জন্যে ওর মা উলঙ্গ হয়ে শুধুমাত্র একটা ওড়না গলায় দিয়ে সব্বাইকে ছেড়ে চলে গেলো আজও জানতে…
আরিফুর রহমান

মানুষের একটা মুখের আড়ালে অনেকগুলো মুখোশ থাকে, তারই একটা লেকের পানিতে ভাসিয়ে দিয়ে এলাম…
তপোব্রত মুখোপাধ্যায়

আখরে বিলাপ সাজাই। অশব্দের গায়ে ছাপ পড়ে তার। অনিন্দ্যসুন্দর সকালের অম্লমধুর ব্যবহার…
সৌমাল্য গরাই

এইমাত্র কান্না ভেঙে বের হল প্রাণ
ব্রহ্মাণ্ড সহায় আমরা সকলে যেন অনাথ পিণ্ডজ মৃত্যু ও শোকার্ত সমুদ্রের…
রাজর্ষি দে

অযথা শীতঘুম ডেকে যায় সাপের সম্ভাবনা নিয়ে শয্যা পাতে খোলস
এই সর্পরহস্য ভেদে শিশু জীবন…
বুদ্ধদেব হালদার

সাড়ে পাঁচশো বছর আগের এমন এক দিনে তুমি ঝাঁপ দিয়েছিলে জ্যোৎস্না ভর্তি ফুলেশ্বরীর জলে। তোমার চোখের …
তন্ময় বসাক

সময় ফিরিয়ে দিলে নিশ্চিহ্ন যাযাবর হয়ে যায় যুবতী বাতাস খাড়া হয় অলৌকিক ঢঙে আমার নিশ্চিত জবাবে স্পষ্ট…
সতীন্দ্র অধিকারী

নিঃশব্দে ফোঁপাতে ফোঁপাতে আর নিঃশব্দে গর্জন করতে করতে কতদূর কতদূর তুমি হেঁটে যাবে মানুষ!
চন্দন বাঙ্গাল

যে মানুষ ছায়া আঁকে শরীর দিয়ে বলে দিও, আমি তার বন্ধুজন। তার পাশেই জ্বলে ওঠে আমার নিভু লন্ঠন…
সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

এই আচমকা ঝড়বৃষ্টির রাতে বন্দি, অন্ধকার জীবন পেরিয়ে এইসব হাওয়াবাতাসের গাছ কিংবা গাছ নয়
রঙ্গীত মিত্র

যন্ত্রণা সীমা পেরিয়ে চলে গেছে বহুদূর
সন্ধে মিশে যায় আজানে-স্তোত্রপাঠে
সবার ছায়া এক রকম থাকলেও
মৌ সেন

মানচিত্রের মোটা দাগ দিয়ে আঁকা জায়গার ভেতরে অবাধে যাতায়াত করা যায় । ওটাকে নিজের দেশ বলে…
সংস্কৃতি বন্দ্যোপাধ্যায়

প্রতিদিন একটা সর্বনাশ লেখা হচ্ছে।
ভুল থেকে ভুলের দিকে পোশাক টেনে নিচ্ছে কালো চামড়ার ভয়…