Hello Testing

সন্দীপন দাস

সমস্ত সম্ভাবনা চেয়েছে আগুন
তুমি চেয়েছো সব গোপন, বৃষ্টির পর একা ওই আলো বধ্যভূমিতে পড়ে

মধুসূদন রায়

খিদে এক আশ্চর্য বস্তু! গোপনে গোলামি করতে না পেরে বুভুক্ষু হয়ে রাত কাটাচ্ছে বাবা আমরা বোধের

অভিষেক নন্দী

কয়েকটা মৃত বাঁশপাতা দিয়ে আয়না ঢাকতে গিয়ে হারিয়ে ফেলেছি পিতামহের আলজিভের ছায়া

বিশ্বজিৎ

ক্ষমতাই প্রকৃত সত্য যত মত, তত পথ নেই বাজারের মাঝে… সব বিলি হয়ে গেছে রহস্য উঠছে রহস্য নামছে

রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়

অপেক্ষায় জারিত দিন যাপন ৷ বিন্দু বিন্দু কুয়াশাকে প্রলেপাশ্রিত করে মরমে গচ্ছিত রাখা ৷ আশা যাওয়ার

ব্রতীন সরকার

জোনাকির আয়ুষ্কাল ভেঙে ভেঙে আলো হারাচ্ছে যে ক্ষেত তার আলপথ তুলে সমান করে দাও সূর্যাস্ত

অতনু টিকাইৎ

এখন মন চাইলেও জড়িয়ে ধরতে ভয় হয়। পাছে তোমার উপোসী শরীর আহার চেয়ে বসে!

শীর্ষা

বেশি কিছু চাইবার ছিল কি আদৌ?
হেমন্ত চেয়েছিল নখপূর্ণিমার আদর,
গর্ভে শিশুধান!

সুমন মল্লিক

রাঙার সাথে ঈষৎ হলদে এবং কিছুটা কমলা – অনেকদিন পর আলোর এই ত্রিবেণীতে বসে আকণ্ঠ পান করছি

সুভান

আমার তো দু হাত শূন্য, আমি কীভাবে তোমার মুখে খাওয়ার তুলে দেবো পথিক? যে রাস্তায় তুমি চলছো

অরিন্দম রায়

কোকিল যেমন আছে কারখানাও আছে দৃঢ় বিশ্বাসের পাশে অহেতুক অবিশ্বাস আছে শান্ত ডাহুক আর শিকারি

সৌম্যজিৎ আচার্য

তারে তারে ঝুলিয়ে এসেছি বন্দুক
ক্লিপে এঁটে এসেছি ছোট ছোট গুলিকেও কিছু একটা ঘটলেই

রাজদীপ রায়

সেলুনে, ক্ষুরের চাপে ঘাড় থেকে নেমে যায় চুল… এতদিন যে মাটিতে ছিল পুষ্ট জলহাওয়ায় শেকড় হারালো তার

অরিন্দম বারিক

কথা হয়েছিল প্রথম যে ফুল সূর্যের দিকে তাকাবে তাতে আমার নাম লেখা হবে,অথচ সে গাছে কোনোদিন

সৈকত ঘোষ

অতিবেগুনি স্বপ্নেরা ক্রমশ একা হয়ে যাচ্ছে। আসলে একটা সময় পর আমাদেরকে একা হয়ে যেতে হয়।