Skip to main content

Hello Testing

কমল চক্রবর্তী

ফুল তুলছিল, ওরা। ওরা মানে, মালতী, কেতকী, জুঁই, পারুল টগর তাই ফুলে, বেশি হাসাহাসি হিঃ হিঃ হাঃ হাঃ…

দেবাশিস রায়চৌধুরী

বালকের হাতে পেনসিল রঙিন ফুটে উঠছে এক আশ্চর্য দিন স্বপ্নিল চোখ ঝুঁকে খাতার উপর…

কমলেশ কুমার

তোমার ওষ্ঠের দিকে তাকিয়ে থাকি নির্নিমেষ, লক্ষ দুঃস্বপ্নের ভিতরে
শেষ আনন্দমুহূর্তের প্রতিচ্ছবি

নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

কে? এইভাবে একটি স্বপ্নের শুরু হতে পারে তা আমি কখনো ভাবিনি। মশারির এককোণে মধ্যরাতে বসে আছে ও।

পিয়াল রায়

এই যে রাস্তাটা দেখছ ও আমার বাড়ি যায়নি কখনো ডাকিনি যে তা নয় তবে আগামী জন্মের টান

নভোনীল চট্টোপাধ্যায়

সত্যি হল এই, যে তোমার আর আমার মধ্যে সমতানের সম্ভাব্যতা নিয়েই
জন্ম নিয়েছে এই অন্তরাসী গ্রহ

সন্দীপন দাস

সমস্ত সম্ভাবনা চেয়েছে আগুন
তুমি চেয়েছো সব গোপন, বৃষ্টির পর একা ওই আলো বধ্যভূমিতে পড়ে

মধুসূদন রায়

খিদে এক আশ্চর্য বস্তু! গোপনে গোলামি করতে না পেরে বুভুক্ষু হয়ে রাত কাটাচ্ছে বাবা আমরা বোধের

অভিষেক নন্দী

কয়েকটা মৃত বাঁশপাতা দিয়ে আয়না ঢাকতে গিয়ে হারিয়ে ফেলেছি পিতামহের আলজিভের ছায়া

বিশ্বজিৎ

ক্ষমতাই প্রকৃত সত্য যত মত, তত পথ নেই বাজারের মাঝে… সব বিলি হয়ে গেছে রহস্য উঠছে রহস্য নামছে

রাজশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায়

অপেক্ষায় জারিত দিন যাপন ৷ বিন্দু বিন্দু কুয়াশাকে প্রলেপাশ্রিত করে মরমে গচ্ছিত রাখা ৷ আশা যাওয়ার

ব্রতীন সরকার

জোনাকির আয়ুষ্কাল ভেঙে ভেঙে আলো হারাচ্ছে যে ক্ষেত তার আলপথ তুলে সমান করে দাও সূর্যাস্ত

অতনু টিকাইৎ

এখন মন চাইলেও জড়িয়ে ধরতে ভয় হয়। পাছে তোমার উপোসী শরীর আহার চেয়ে বসে!

শীর্ষা

বেশি কিছু চাইবার ছিল কি আদৌ?
হেমন্ত চেয়েছিল নখপূর্ণিমার আদর,
গর্ভে শিশুধান!

সুমন মল্লিক

রাঙার সাথে ঈষৎ হলদে এবং কিছুটা কমলা – অনেকদিন পর আলোর এই ত্রিবেণীতে বসে আকণ্ঠ পান করছি

সুভান

আমার তো দু হাত শূন্য, আমি কীভাবে তোমার মুখে খাওয়ার তুলে দেবো পথিক? যে রাস্তায় তুমি চলছো