অরিন্দম রায়

কোকিল যেমন আছে কারখানাও আছে দৃঢ় বিশ্বাসের পাশে অহেতুক অবিশ্বাস আছে শান্ত ডাহুক আর শিকারি
সৌম্যজিৎ আচার্য

তারে তারে ঝুলিয়ে এসেছি বন্দুক
ক্লিপে এঁটে এসেছি ছোট ছোট গুলিকেও কিছু একটা ঘটলেই
সমরেশ মুখোপাধ্যায়

কত দিন ধরে আমরা হেঁটে চলেছি আমাদের ঘাম দিয়ে রক্ত দিয়ে মাংস দিয়ে বানানো
রাজদীপ রায়

সেলুনে, ক্ষুরের চাপে ঘাড় থেকে নেমে যায় চুল… এতদিন যে মাটিতে ছিল পুষ্ট জলহাওয়ায় শেকড় হারালো তার
অরিন্দম বারিক

কথা হয়েছিল প্রথম যে ফুল সূর্যের দিকে তাকাবে তাতে আমার নাম লেখা হবে,অথচ সে গাছে কোনোদিন
সৈকত ঘোষ

অতিবেগুনি স্বপ্নেরা ক্রমশ একা হয়ে যাচ্ছে। আসলে একটা সময় পর আমাদেরকে একা হয়ে যেতে হয়।
অরিনিন্দম মুখোপাধ্যায়

কিছুই পারিনা ঠিকমত কষ্ট ফেলি কষ্ট তুলে রাখি হয়না এভাবে জানি হয়তো ভালো রঙের আকাশ এসে যাবে
রাজীব চক্রবর্তী

তুমি তবে কতটুকু ফিরে তাকিয়েছো কোনোদিন নিজস্ব অঙ্গনে তুমি তবে কতটুকু ফিরে তাকিয়েছো কোনোদিন
অমৃতা ভট্টাচার্য

ওরাও অপেক্ষায় থাকে আগাছার পাশে পাশে সবুজ ফাটল — জলের বিস্তার পথ সরীসৃপ লতার নিচে
শূদ্রক উপাধ্যায়

উত্তরের হাওয়ায় দুলছে একটা চোখ, এখান থেকে নদী নেমে যাওয়ার কথা বলেছিল কেউ। বৃষ্টির উল্লাসে কথারা
ঋপণ আর্য

কে থাকে এখানে আর কেই বা থাকে না
দোকানপাঠ থাকে কিছুকাল খুচরো পয়সা গোনে রাত যেহেতু ডানা
অদিতি বসুরায়

রাত দেড়টার ফোনকল যারা, স্বাভাবিক মনে করে, আমি সেই দলে পড়িনি কখনও তুমি ভেবোনা, আমি ফুল থেকে
তানিয়া চক্রবর্তী

এ চোখ জেগে ওঠে শেষরাতে এ রাতের তলপেট দিনের বুকের মতো শান্ত, অসুখে ছেয়েছে যে বৃদ্ধ উঠোন
পলাশ দে

কিছু একটা বলি, হিংসা দৃশ্যে ভয় লাগে ফিরতে ভয় লাগে গৃহে সঙ্গমে প্রত্যেক বার লেপ্টে থাকে মলমূত্রকফ
বাপ্পাদিত্য রায়বিশ্বাস

আমি পারিজাত ভাবতাম তুমি জোর করে দেখালে পারুল ঘাসবন খুশি হ’ল শুধু কলম বলল — আজ থাক।
অরুণাভ রাহারায়

সে জানে রাত্রির গুহা, স্রোতের তপস্যা
জল ছাড়া কেউ বুঝি হাসি হতে পারে!
সে কেবল বইতে জানে, জেগে ওঠে