পাপড়ি গুহ নিয়োগী

বার্ন ওয়ার্ড জুয়া খেলে আগুন হাসে যদি চিৎকার করে বলি জ্বলন্ত অবস্থায় ভীষণ কষ্ট ফুটা থুথু গিলে জন্মের রহস্য খোঁজে…
মীরা মুখোপাধ্যায়

তাকে তো ডাকেনি কেউ, পড়েওনি এতোদিন ধরে সে কি লেখে ছাইভস্ম একা এই নদীর কিনারে ভাঙা বাড়িটায় বসে…
সন্দীপন দাস

সমুদ্রের ডেকে দাঁড়িয়ে তুমি ভাবছো তোমার কোনো সম্ভ্রম নেই নেই কোনো আবেগমথিত গোপন…
অরিজিৎ চক্রবর্তী

একটা শূন্য নিয়ে বসে আছি। চারপাশে অশ্রু, অভিশাপ। ছেলেবেলায় অঙ্কে শূন্য পেয়ে পথিক হয়েছি…
ইন্দ্রাণী পাল

গমের ক্ষেতে হেঁটে যাওয়া; আর রোদ্দুর এই গল্পে কোথাও খুনোখুনি নেই উজ্জ্বল রঙে কাকগুলি উড়ে যায় অ্যাসাইলামের…
বর্ণালী কোলে

“আচ্ছা মা, তুমি বসে আছ কেন? খেয়ে নাও। রাত হচ্ছে।”“কী করে খাব, বল। তুই কেমন করে আছিস।” মেয়ে সন্ধে থেকে…
সুব্রত দাস

ঈশ্বর-পরবর্তী স্টেশনের আগাম রেডিও সতর্কতা আবহাওয়ার অনুকূল নও তুমি, অথচ উত্তাল সমুদ্রে মাছ ইশারায়…
মধুপর্ণা বসু

মাঝেমধ্যে ঘুম ভেঙে পড়ে যায় দুঃস্বপ্নেরা অবচেতনের দরজা ভেঙে, আর তখনই প্রয়োজন হয় অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র…
নীলম সামন্ত

যেভাবে আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছ আর চোখ থেকে ভেঙে পড়ছে সম্বিৎ নৌকা আমাদের উচিত শুয়ে পড়া…
শুভদীপ দত্ত প্রামানিক

অনেকটা ভগবানের থেকে বেরিয়ে তৃণকে হাতিয়ার করে বাকিটা সুখ ঘন ঘন ফোটায় হাটের বেচাকেনায়…
সোহম চক্রবর্তী

তুমি দেবী মহাকাব্য পয়ারে কুলীনআট ছয় চতুর্দশ মহাজনপদে শতাব্দীপ্রাচীনা সর্বমঙ্গলামঙ্গল সর্বার্থসাধনা ক’রি…
রুবি রায়

খিলখিলিয়ে বয়ে চলা আঁচলে চৈত্র হাসির মুক্তরা অভিধান খোঁজে ঘরের কৌণিক বিন্দুগুলিতে সাবকনসাস মেঘেদের ভিড়…
ঋভু চট্টোপাধ্যায়

এই পর্যন্ত রকমারী কিছুর আড়ালে আরেকটা আড়াল তৈরি। যাদের ইতিমধ্যে কোনো রক্তের উপপাদ্য লেখা হয়নি…
স্বর্ণেন্দু ঘোষ

জ্বরের আবেশে উষ্ণ শরীরের পাশে শুয়ে থাকা ঝর্নার ভেতরে প্রবেশের অধিকার অর্জিত হয়নি তো…
কৌশিক দাস

মারওয়া রাগ আলাদা হলেও জৌনপুরী আর সোহিনীর মতো করে আমরা দু’জন রাগ আর অনুরাগে মিশে এদিক ওদিক হলে…
রবীন বসু

সিগারেটের ধোঁয়ায় এখন লিখে রাখো বিরক্তিকর মনের ঠিকানা যা ভেবেছিলে তা হল না দিনশেষ শ্লথ হয় ফ্লাইওভার ঘেঁষে…