সোমা চক্রবর্ত্তী

প্রিয় জানলার কাছে মুখ থুবড়ে পড়েছি হাত-পা সব বাঁধাবহু ট্রাম আসে যায়কিছু মানুষ, কিছু মুখোশ সব নিভে যায়…
উদয় সাহা

রেললাইনের দিকে তাকালে আমার, তোমার কথা মনে পড়ে- তুমি আর আমি যেমন শরীর আর ছায়া…
নভোনীল চট্টোপাধ্যায়

কিছু মনে করব না আমি, যদি কেউ আমাকে এসে বলে – “তোমার মুখখানা ঠিক ক্ষয়ে যাওয়া চপ্পলের মত লাগছে”…
সংস্কৃতি বন্দ্যোপাধ্যায়

কিছু ভুল ভুলে যেতে শেখো। সাধের কবিতা লেখা ছেড়ে ঝিম মেরে থেকো দুপুরবেলায়, রাতগুলো কিলবিলিয়ে…
শীর্ষা

সেই কোন গুপ্তযুগের অস্তমিত সূর্য আজও সমান প্রজ্জ্বল, যেন একটি গোধূলিকে আরো একশ বছর বাঁচিয়ে…
শঙ্খজিৎ দে

খসে পড়তে পারে পুরোনো দেওয়াল মন্দিরের ঘন্টাধ্বনি- একটা নক্ষত্র ফুটেছে দক্ষিণ বারান্দায় মগ্ন…
অর্পিতা সরকার

আমাদের দেশবাড়ির কথা খুব মনে পড়ে, আপনজন দুপুরগুলোতে হারীত পক্ষী বুকের কাছে কুব কুব ডাকে…
প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত

আমাকে নিঃসঙ্গতা শেখাও, মহাদ্রুম! শেখাও সালোকসংশ্লেষ, অলীক পর্ণমোচন… দ্যাখো, আমিই সেই…
তাপস ওঝা

সহ্য করি যতটা সহজে তেমন সহজ নয় এই বেঁচে থাকা। আমার পতন হয় দিনে-রাতে আমার পতন হয় লিপ্ত থেকে…
পঙ্কজ চক্রবর্তী

লেখার ওপর তোমার অপভ্রংশের ছায়া। এই তো সেদিন দেখা হল চৌরাস্তার ধারে। ডালপালায় মোড়া ভেঁজা…
পঙ্কজ চক্রবর্তী

চলেছি জটিল অরণ্যে তুমি সেবাদাসী ভূমিকা নেবে না? কত অতল জল
কাঁচা মাটির উপর জ্বলে ওঠে ধূপ
তৃষ্ণা বসাক

মেঘ ভোর থেকে এত গাঢ় গলায় কথা বলছে দেখে, আমার সবুজ রথের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে…
যোগেন চৌধুরী

বুকে বাজে হলুদ ফুলের জ্যোৎস্না
শৈশবের মেঘ অস্থির আকাশ
ঘুমের মধ্যে সহসা উতলা যুঁইফুল-
অনুপম রায়

ঝরঝর করে যে জলের শব্দ আসলে রান্নাঘরের কল পাথুরে জলপ্রপাতের ইমিটেশন, মনে করিয়ে দেয়…
সুবোধ সরকার

আমার যদি সর্বনাশ হয় সেদিন হবে তোমার ঠোঁটে যদিও জানি আমার মতো এখনো রোজ সূর্য একা ওঠে।
জয় গোস্বামী

কোন পাখি ললাটে লিখিত? কোন বৃক্ষ প্রতিষ্ঠিত ভাগ্যের আকাশে? নিচে পড়ে তার ফল, কী অপূর্ব স্বাদ!