মঈনুল হাসান

ঘর বন্ধ করে নীল শেডের ল্যাম্প জ্বালিয়ে দিয়ে বাথটাবের শীতল জলে নিজেকে অনেকক্ষণ ডুবিয়ে রাখে
স.ম. শামসুল আলম

বাবার চোখে-মুখে খুশির ঝিলিক। নিনাদ উত্তর করল, না আব্বু, প্রেমে পড়িনি। তবে পড়ব বলে ভাবছি…
সুকল্প চট্টোপাধ্যায়

মহালয়া এলেই আগমনীর সুর ঘন হয়। নাস্তিকেরও যে তর্পণ থাকতে পারে, মহীরূহকে আঁকড়ে ধরে কান্না থাকতে…
সুদীপ চট্টোপাধ্যায়

শিউলির আঘ্রাণে, কাশের রেণুতে, ঢাকের বোলে কিংবা কলাবউয়ের স্নানে ঘুম থেকে জেগে ওঠে আমার সেই…
স্বাগতা দাশগুপ্ত

সেই আকাশের অধীশ্বর কে? কৈলাসবাসিনী সেই আর্য দেবী? নাকি তাঁর পায়ের তলায় শুয়ে থাকা তাঁর…
সোমব্রত সরকার

দুর্গা পুজোর অবস্থান ওই শারদীয় বিষুবে। দেবীপক্ষ থেকেই তার সূচনা। এর আগে পিতৃপক্ষ থাকে…
শৈবাল সরকার

ঈশ্বর না থাকলেও তাঁর অট্টহাসি নাকি আছে। অথবা অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ডের সেই বেড়াল…
রঙ্গীত মিত্র

মহালয়া শুনছে পাহাড়ের মাথা। আমি বার বার আমার মোবাইলের অ্যাপ থেকে দেখছি, গাড়িটা কোথায়।
দীপ্তিপ্রকাশ দে

আসলে ভাসানের সঙ্গে মিশে আছে যে চিরকালীন বিচ্ছেদ, সেটা অনুভবের জন্যও তো একটা নরম মন দরকার।
দেবব্রত কর বিশ্বাস

স্বর্গের দেবীকে মাটিতে নামানো হচ্ছে। মায়ের মুখ ঢাকা আকুল রঙের কাপড়ে। দেখেই তার হুহু করে কান্না পেয়েছে।
বাপ্পাদিত্য রায়বিশ্বাস

না-কুড়োনো শিউলির সাদা পাপড়িতে বাসা বেঁধেছে জলবর্ণ স্বচ্ছ বিষাদের ক্ষয় আর তার উজ্জ্বল কমলা বোঁটায় লগ্ন
অরিত্র সান্যাল

আমি স্পষ্ট দেখলাম, ঘুম ভেঙে উঠে কাজল ধ্যাবড়ানো চোখ নিয়ে শূন্যতা আমার দিকে হকচকিয়ে তাকিয়ে আছে।
ঐত্রেয়ী সরকার

পুজো বলতেই প্রথমেই একটা মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠে। অনেক বছর আগে পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়া…
অদিতি বসুরায়

চিলেকোঠা ভরা পুজোর বই– শুকতারা, আনন্দমেলা, চাঁদমামা! বাঁধানো খণ্ডে খণ্ডে। আমি গেলে, তারা জেগে উঠে…
স্বপন রায়

কেন যে আবার খাঁ খাঁ হল কবে কোথায় কিছু চলে যাওয়ার টানে নিঝুম বাদামীতে লয় লয়কারি কেন যে…
ঈশিতা ভাদুড়ী

চোয়াল শক্ত করে চাবুকের দাগ দেয়
যে সব শ্বেতাঙ্গরা, গলাতে হাঁটু চেপে জীবন খায় যারা, বলো, তুমি কি ভিন্ন…