নিভে যাওয়া দিনে

অন্ধকারের পাশে অন্ধকার সোঁদা মুহূর্ত হঠাৎ সবাই দেখে মূক ও বধির দেবীচোখে আলোর প্রতিশ্রুতি…
বিধর্মী কবিতা

আমি লিখছিকিন্তু আমার বর্ণমালা প্রচণ্ড একগুঁয়ে এবং প্রতিটি অক্ষর রাষ্ট্রের তাবেদার যদি আমার বর্ণমালা হতো চন্দ্র…
মেঘ নেমে এলে

আলোর নিষেকে ঝরে পড়ে আলো অবিরল শিমুল গাছের ছায়ায় উদাসী বাউল গায় ‘মানব জমিন রইল পতিত…’
লোকায়ত

আলোর নিষেকে ঝরে পড়ে আলো অবিরল শিমুল গাছের ছায়ায় উদাসী বাউল গায় ‘মানব জমিন রইল পতিত…’
ঔদ্ধত্য

দুটো ঘোড়া ছুটল, দুটোই তীব্র। একটা সাদা, অন্যটা কালো। আপনার বিজ্ঞ নজর ছিল কালো ঘোড়ায়,যদিও মাঝ পথে সাদা…
কাজুবন

আর কই লেখা নিজের, বাড়ছে বিভক্তি কাজু বনে যেন বিরহের তলায় চাপা পড়া ছায়া খানিক দুলে দুলে ওঠে কেঁপে ওঠে…
যাপন স্থিতি

এই যে গাছ, ওর দীর্ঘস্থায়ী ভালোবাসা আমাকে, আগামীকালের দিকে ঠেলে দেয় আর্তনাদ বার হয়ে আসে,…
জলাভূমিতে এত নুন

দূর অনেক আলোকবর্ষ দূর মানুষ কয়েকটি নক্ষত্রকে রেখাঙ্কিতা করা হয়েছে যেমন পৃথিবীর জন্ম হয়েছিলো সিজার করে…
দুটি কবিতা

এই যাবতীয় ছলনার উপর অগণিত ধর্ষণের কথা চাপা পড়ে যায় – এর নাম অবচেতন আনন্দ হতে পারে না, অথচ ঘুম অনুভব…
দুটি কবিতা

শুধু এক অন্তর্গত ভয় রক্তের ভিতরে ঘোরে ফেরে আর ক্রমাগত ক্লান্ত করে দেয়…
অধৈর্য্য জ্যামিতি

মঞ্চ থেকে নেমে আসার পর আমাদের ছায়াগুলি ভিড় করছে কামিনী বনে। চিকন চর্যাপদের মকমকি পাতা-সেখানে…
ভিজে মাটির দাগ

এক বুক জলের ভিতর খেলা করে বিকেলএক্কা-দোক্কা শেষ হয়ে আসে গুটিয়ে রাখা হয় রোদ…
শিকার

বত্রিশটা কারখানা পেরিয়ে আমরা যখন হরিদ্রাভ হয়ে উঠলামফুল ভেবে প্রজাপতি উড়ে এল আমাদের রক্তকণিকায়…
গুচ্ছ কবিতা

মানত করি মানুষের মঙ্গল কামনায় শ্মশানে আর কবরস্থানে হাসপাতালে আর ডাক্তারখানায় ভীড় ভীষণ ভীড় অভ্র…
দুটি কবিতা

এসো আজ, একান্তে — যেখানে অজস্র ফুল, কেশর, পরাগছড়ানো। এসো আজ… মর্মভেদী কোনও কাহিনী শোনাই…
দুটি কবিতা

তোমার আঁধারে শরীর দিয়েছি; ভালো মন্দ বলে চলে লোকঅঘ্রাণের ক্ষেতে ধানের ভিতরে মদ। পুজো হয় বিষাদ জননীর…