দিগন্ত

ভাসিয়ে দিয়েছো এক আশ্চর্য দিগন্ত তাকে রক্ষা দিতে দিতে জীবন চলেছে নীল ছুঁয়ে…
অন্ধকারের মা

প্রতিদিন বাড়ি ফেরার সময় দেখি
অন্ধকার কাঁধে নিয়ে ফিরছে মেয়েটা,
প্রতি বাড়িতে একটু একটু করে পৌঁছে…
আমার শহর

তার ছেঁড়া। শহর আর ঠিকঠাক বাজে না।গীতবিতান দিয়ে বলি, ‘বাজো’তাকে দিলাম ঘাতক ভায়োলিনখানা,খান খান ভৈরবী…
মুক্তি

ভালোবাসার মৃত্যু হলে সৌন্দর্য নির্জনে কাঁদে।খাঁচার পাখি ডানা ঝাপটায় মুক্তির নেশায়…
তিতাস নদীর কূলে

অশ্রুনদীর উপত্যকায় সকাল হয় নিত্য চোখের জলের চা-তে চিনির অনুপস্থিতি বোঝায় তোমার মধ্যে এক পৃথিবী বিষন্নতা…
বিফল হারমনিয়াম

আমি সেই বিফল হারমনিয়ামপ্রেমের অভিনয়ে রোজ হাত বোলাই রিডেগপ্পো বানাই দুঃখের…
হাতের ওপর হাত রেখেছি

হাতের ওপর হাত রেখেছিএকান্তে -তখন তোমার একশো তিন জ্বর কৃষ্ণচূড়া গাছে ভীষণ রোদ আগুন হয়ে পড়ছে ফুটপাতে…
অলীক শহর

বাউন্ডুলে দুপুরে যখন বসে দেখি বেগুনি কালেম পাখি শ্যাওলামাখা বাগানে পায়ের ছাপে আলপনা এঁকে দেয়…
ফলন

সোমবতী অমাবস্যার রাতে দরজা খুলে রাখি আঁধার ভেজা আলো গোপন নারীর মতো বুকে উঠে আসে। কেমন ঝিম…
সহ্য

সুতো একেবারে ছিঁড়ে গেলে চারিদিক থেকে কেবল শূন্যতা ঘিরে ফ্যালে— সামনে কাউকে পেলে উগরে দেয় ভেতরের যত…
দুটি কবিতা

অনেক দিন পর জুতো খুলতে গিয়ে দেখছি আবেগ হারিয়ে গেছে স্ক্যান মেশিন থেকে। অথচ ড্রয়ারে কোনও স্টেনগান রাখা নেই
গুচ্ছ কবিতা

কোন সে অন্যের বাগানে পিষে গেল ধূসর প্রজাপতিটি… তোমারও বাগান ছিল, দুটি পা ছিল দেব-চুম্বিত, মেধার্ত ওজন—
দুটি কবিতা

আমার যে কী হবে, জানি না!সুড়ঙ্গের মধ্যে দিয়ে চলেছি—পরবর্তী স্টেশন কী প্ল্যাটফর্ম কোন দিকে —জানি না…
আততায়ী

এই বারাসাত মেডিকেল কলেজ বিল্ডিং থেকে অনেককিছু দ্যাখা যায়লাল-নীল পাখি হয়ে উড়ে যাওয়া আলোর যন্ত্রণা, ফ্যাকাশে আকাশের নীরবতা…
প্রবাহ বিষয়ক

এখন প্রবাহ থেকে পিঠ টেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনো রাস্তা নেই সুচরিত । কাল রাতেও দেখেছি ধেনো মদে ভেজা গলা
দুটি কবিতা

এরপর খরার মরসুম আসবে ,
এখনও বাতাসে ভাসছে মাঝিগান ,
জিরাশাইল ধানের শীষে জলতরঙ্গ বাজিয়ে যায়