Skip to main content

Hello Testing

অধৈর্য্য জ্যামিতি

মঞ্চ থেকে নেমে আসার পর আমাদের ছায়াগুলি ভিড় করছে কামিনী বনে। চিকন চর্যাপদের মকমকি পাতা-সেখানে…

ভিজে মাটির দাগ

এক বুক জলের ভিতর খেলা করে বিকেলএক্কা-দোক্কা শেষ হয়ে আসে গুটিয়ে রাখা হয় রোদ…

শিকার

বত্রিশটা কারখানা পেরিয়ে আমরা যখন হরিদ্রাভ হয়ে উঠলামফুল ভেবে প্রজাপতি উড়ে এল আমাদের রক্তকণিকায়…

গুচ্ছ কবিতা

মানত করি মানুষের মঙ্গল কামনায় শ্মশানে আর কবরস্থানে হাসপাতালে আর ডাক্তারখানায় ভীড় ভীষণ ভীড় অভ্র…

দুটি কবিতা

এসো আজ, একান্তে — যেখানে অজস্র ফুল, কেশর, পরাগছড়ানো। এসো আজ… মর্মভেদী কোনও কাহিনী শোনাই…

দুটি কবিতা

তোমার আঁধারে শরীর দিয়েছি; ভালো মন্দ বলে চলে লোকঅঘ্রাণের ক্ষেতে ধানের ভিতরে মদ। পুজো হয় বিষাদ জননীর…

দিগন্ত

ভাসিয়ে দিয়েছো এক আশ্চর্য দিগন্ত তাকে রক্ষা দিতে দিতে জীবন চলেছে নীল ছুঁয়ে…

অন্ধকারের মা

প্রতিদিন বাড়ি ফেরার সময় দেখি
অন্ধকার কাঁধে নিয়ে ফিরছে মেয়েটা,
প্রতি বাড়িতে একটু একটু করে পৌঁছে…

আমার শহর

তার ছেঁড়া। শহর আর ঠিকঠাক বাজে না।গীতবিতান দিয়ে বলি, ‘বাজো’তাকে দিলাম ঘাতক ভায়োলিনখানা,খান খান ভৈরবী…

মুক্তি

ভালোবাসার মৃত্যু হলে সৌন্দর্য নির্জনে কাঁদে।খাঁচার পাখি ডানা ঝাপটায় মুক্তির নেশায়…

তিতাস নদীর কূলে

অশ্রুনদীর উপত্যকায় সকাল হয় নিত্য চোখের জলের চা-তে চিনির অনুপস্থিতি বোঝায় তোমার মধ্যে এক পৃথিবী বিষন্নতা…

বিফল হারমনিয়াম

আমি সেই বিফল হারমনিয়ামপ্রেমের অভিনয়ে রোজ হাত বোলাই রিডেগপ্পো বানাই দুঃখের…

হাতের ওপর হাত রেখেছি

হাতের ওপর হাত রেখেছিএকান্তে -তখন তোমার একশো তিন জ্বর কৃষ্ণচূড়া গাছে ভীষণ রোদ আগুন হয়ে পড়ছে ফুটপাতে…

অলীক শহর

বাউন্ডুলে দুপুরে যখন বসে দেখি বেগুনি কালেম পাখি শ্যাওলামাখা বাগানে পায়ের ছাপে আলপনা এঁকে দেয়…

ফলন

সোমবতী অমাবস্যার রাতে দরজা খুলে রাখি আঁধার ভেজা আলো গোপন নারীর মতো বুকে উঠে আসে। কেমন ঝিম…

সহ্য

সুতো একেবারে ছিঁড়ে গেলে চারিদিক থেকে কেবল শূন্যতা ঘিরে ফ্যালে— সামনে কাউকে পেলে উগরে দেয় ভেতরের যত…