দিগন্ত
নিশীথ ষড়ংগী
ভাসিয়ে দিয়েছো এক আশ্চর্য দিগন্ত তাকে রক্ষা দিতে দিতে জীবন চলেছে নীল ছুঁয়ে…
অন্ধকারের মা
সুমন দিন্ডা
প্রতিদিন বাড়ি ফেরার সময় দেখি
অন্ধকার কাঁধে নিয়ে ফিরছে মেয়েটা,
প্রতি বাড়িতে একটু একটু করে পৌঁছে…
আমার শহর
গোপাল চক্রবর্তী
তার ছেঁড়া। শহর আর ঠিকঠাক বাজে না।গীতবিতান দিয়ে বলি, ‘বাজো’তাকে দিলাম ঘাতক ভায়োলিনখানা,খান খান ভৈরবী…
মুক্তি
অনুরূপা দাসমুন্সী
ভালোবাসার মৃত্যু হলে সৌন্দর্য নির্জনে কাঁদে।খাঁচার পাখি ডানা ঝাপটায় মুক্তির নেশায়…
তিতাস নদীর কূলে
রিমা দাসমুন্সী
অশ্রুনদীর উপত্যকায় সকাল হয় নিত্য চোখের জলের চা-তে চিনির অনুপস্থিতি বোঝায় তোমার মধ্যে এক পৃথিবী বিষন্নতা…
বিফল হারমনিয়াম
মণিদীপা বিশ্বাস কীর্তনিয়া
আমি সেই বিফল হারমনিয়ামপ্রেমের অভিনয়ে রোজ হাত বোলাই রিডেগপ্পো বানাই দুঃখের…
হাতের ওপর হাত রেখেছি
চন্দ্রশেখর ভট্টাচার্য
হাতের ওপর হাত রেখেছিএকান্তে -তখন তোমার একশো তিন জ্বর কৃষ্ণচূড়া গাছে ভীষণ রোদ আগুন হয়ে পড়ছে ফুটপাতে…
অলীক শহর
সপ্তশ্রী কর্মকার
বাউন্ডুলে দুপুরে যখন বসে দেখি বেগুনি কালেম পাখি শ্যাওলামাখা বাগানে পায়ের ছাপে আলপনা এঁকে দেয়…
ফলন
অর্পিতা সরকার
সোমবতী অমাবস্যার রাতে দরজা খুলে রাখি আঁধার ভেজা আলো গোপন নারীর মতো বুকে উঠে আসে। কেমন ঝিম…
সহ্য
গীতা চক্রবর্তী
সুতো একেবারে ছিঁড়ে গেলে চারিদিক থেকে কেবল শূন্যতা ঘিরে ফ্যালে— সামনে কাউকে পেলে উগরে দেয় ভেতরের যত…
দুটি কবিতা
সম্পা পাল
অনেক দিন পর জুতো খুলতে গিয়ে দেখছি আবেগ হারিয়ে গেছে স্ক্যান মেশিন থেকে। অথচ ড্রয়ারে কোনও স্টেনগান রাখা নেই
গুচ্ছ কবিতা
শ্বেতা চক্রবর্তী
কোন সে অন্যের বাগানে পিষে গেল ধূসর প্রজাপতিটি… তোমারও বাগান ছিল, দুটি পা ছিল দেব-চুম্বিত, মেধার্ত ওজন—